advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

জনসংহতি সমিতির ৪ নেতা কারাগারে

বান্দরবান প্রতিনিধি
২৭ মে ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ২৭ মে ২০১৯ ০১:১২
advertisement

বান্দরবানে আওয়ামী লীগ নেতা চ থোয়াই মং মারমাকে হত্যার ঘটনায় এ পর্যন্ত সাতজনকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার শহরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এর মধ্যে চারজনকে গতকাল রবিবার কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আটকরা হলেনÑ পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য

জনসংহতি সমিতির যুগ্ম সম্পাদক ক্য এস মং (৫৫), জেএসএসের বান্দরবান জেলার সাধারণ সম্পাদক ক্য বা মং (৪৯), দলের সদস্য দীপন তংঞ্চগ্যা (৩০), মিথোয়াই মারমা, উজি মুখপাড়ার হেডম্যান থোয়াই হ্লা মারমা (৫৩), জর্দানপাড়ার কার্বারি মং হ্লা ত্রিপুরা (৬৫)। এদের মধ্যে ক্য এস মং ও ক্য বা মংকে আওয়ামী লীগ নেতা চ থোয়াই মং হত্যা মামলায় এবং দীপন তংঞ্চগ্যা ও মিথোয়াই মারমাকে রাজবিলা আওয়ামী লীগ নেতার ছোট ভাই ক্য চিং থোয়াই হত্যা মামলায় রবিবার সকালে আদালতে পাঠানো হয়।

এ সময় পুলিশ আসামিদের সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করলে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল মামুন রিমান্ড আবেদন না মঞ্জুর করে তাদের জেলহাজতে পাঠান। বাকি তিনজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এখনো থানায় আটক রাখা হয়েছে।

এদিকে আওয়ামী লীগ নেতা চ থোয়াই মংকে নৃশংস্যভাবে হত্যার প্রতিবাদে এবং খুনিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে গতকাল রবিবার সকাল থেকে ১২টা পর্যন্ত হরতাল পালন করেন নেতাকর্মীরা। সকাল থেকে দূরপাল্লার কোনো যানবাহন ছেড়ে যায়নি, দোকানপাট বন্ধ ছিল, শহরে কোনো রিকশা ও অটোরিকশাও চলেনি। সকাল থেকে নেতাকর্মীরা রাস্তার মোড়ে মোড়ে পিকেটিং করে এবং জনসংহতি সমিতির নেতা সন্তু লারমার কুশপুতুল দাহ করেন। এদিকে হরতালের কারণে ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ মানুষ। হাটবার হওয়ায় দূর-দূরান্তের অনেকে তাদের মালামাল নিয়ে বাজারে আসতে পারেননি। একইভাবে বান্দরবানের সাত উপজেলায় হরতাল পালন করেন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।

বান্দরবান সদর থানার ওসি মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, আওয়ামী লীগ নেতা হত্যা মামলায় আমরা এ পর্যন্ত সাতজনকে আটক করেছি। এর মধ্যে চারজনকে আদালতে পাঠিয়েছি এবং বাকি তিনজনকে এখনো জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আওয়ামী লীগের অর্ধদিবস হরতাল শান্তিপূর্ণভাবে পালিত হয়েছে। কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

advertisement