advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

গভীর রাতে প্রেমিককে ডেকে এনে মাথা থেঁতলে হত্যা তরুণীর

অনলাইন ডেস্ক
৯ জুন ২০১৯ ২০:১৬ | আপডেট: ৯ জুন ২০১৯ ২০:১৬

গভীর রাতে প্রেমিককে ডেকে এনে তাকে মাথা থেঁতলে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তরুণী ও তার ‘কথিত’ বন্ধুর বিরুদ্ধে। গত শুক্রবার রাতে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতের নাম মোহাম্মদ আনোয়ার (২৬)। তিনি ভারতের মগরাগঞ্জ এলাকার নতুন গ্রামের বাসিন্দা। মগরাগঞ্জে তার একটি চুড়ির দোকান রয়েছে।

advertisement

গতকাল তার দেহটি মগরাগঞ্জ থানার জিটি রোড সংলগ্ন পোস্ট অফিসের কাছ থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। পরে সেখান থেকে চুঁচুড়া ইমামবাড়া হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। আনোয়ারের মরদেহ শনাক্ত করেছে তার পরিবার।

এ ঘটনায় আনোয়ারের ‘কথিত’ প্রেমিকা লক্ষ্মী রায় ও তার বন্ধু কৃষ্ণবাউল দাসকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ জানতে পারে, শুক্রবার রাতে ফোনের মাধ্যমে আনোয়ারকে ডাকিয়ে আনেন লক্ষী। তিনি ও তার বন্ধু কৃষ্ণবাউল মগরা পোস্ট অফিসের সামনে অপেক্ষা করছিলেন। আনোয়ার সেখানে এলে তার সঙ্গে ঝগড়া ‍শুরু করেন দুজন। এক পর্যায়ে দুজনেই আনোয়ারকে মারধর শুরু করেন।

এ সময় কৃষ্ণবাউল ইট দিয়ে আনোয়ারের বাম চোখ নষ্ট করে দেন। পরে সেই ইট দিয়ে তার মাথা থেঁতলে মৃত্যু নিশ্চিত করেন। এর পর লক্ষীকে সঙ্গে নিয়ে সেখান থেকে পালিয়ে যান তিনি।

গতকাল শনিবার সকালে আনোয়ারের দেহটি উদ্ধারের পর প্রাথমিক তদন্ত শুরু করে পুলিশ। মগরা এলাকায় খোঁজ নেওয়ার পর পুলিশ জানতে পারে, কয়েক বছর আগে স্বামীর সংসার ছেড়ে কৃষ্ণবাউলের সঙ্গে বসবাস শুরু করেন লক্ষী। এ সময় আনোয়ারের সঙ্গে সখ্যতা গড়ে ওঠে তার। দুজনের মধ্যে যৌন সম্পর্কও স্থাপন হয়। এর জের ধরে আনোয়ারের কাছ থেকে মোটা টাকাও নেন লক্ষী।

এক পর্যায়ে কৃষ্ণর সঙ্গে লক্ষ্মীর সম্পর্কের কথা জেনে ফেলেন আনোয়ার। পরে নিজের টাকা ফেরত নিতে চান তিনি। এ নিয়ে কয়েকবার তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। পরে আনোয়ারতে হত্যার পরিকল্পনা করেন লক্ষ্মী রায় ও তার বন্ধু কৃষ্ণবাউল দাস।

মগরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অমিত মিত্র জানান, তদন্তের পর বোঝা যাচ্ছে প্রেম আর টাকার কারণেই খুনের ঘটনা ঘটেছে। এক নারীসহ দুজনকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে। খুনের পিছনে অন্য কেউ জড়িত আছে কি না, তা-ও জানার চেষ্টা চলছে।