advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

প্রথমবারের মতো খোলা জায়গায় ছবি দেখবে সাজেকের বাসিন্দারা

বিনোদন প্রতিবেদক
১১ জুন ২০১৯ ০০:৩১ | আপডেট: ১১ জুন ২০১৯ ০০:৩১

রাজধানীর একটি প্রেক্ষাগৃহে গত ২২ ফেব্রুয়ারি মুক্তি দেওয়া হয়েছিল রাজিবুল হোসেন পরিচালিত ছবি ‌‘হৃদয়ের রংধনু’। হল ব্যবস্থাপনায় ভরসা রাখতে না পেরে প্রথম থেকেই এই নির্মাতা বিকল্প পদ্ধতিতে ছবি দেখানোর উদ্যোগ নেন। প্রদর্শন করা হয় বিভিন্ন দেশের মিলনায়তনের প্রদর্শনী। সেই ধারাবাহিকতায় প্রথমবারের মতো ছবিটি দেখানো হবে দেশের অন্যতম পর্যটন এলাকা রাঙামাটির সাজেকে।

আর এ প্রদশর্নী বিনা টিকিট ও খোলা জায়গায় হবে বলে জানালেন ছবিটির পরিচালক রাজিবুল হোসেন। আগামী ১৩ ও ১৪ জুন রাতে ছবিটি দেখানো হবে।

এ বিষয়ে রাজিবুল হোসেন বলেন, ‘এর আগে আমরাই প্রথম কক্সবাজার সৈকতে খোলা আকাশের নিচে পূর্ণদৈঘ্য চলচ্চিত্র প্রদর্শনী করেছিলাম। এবার সাজেকে প্রথমবারের মতো কোনো চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হতে যাচ্ছে।’

প্রদর্শনের কারণ হিসেবে এই নির্মাতা উল্লেখ করেন, ‘ছবিটির বেশ কিছু অংশের কাজ সাজেকে হয়েছে। আমরা আগে থেকেই পরিকল্পনা করেছিলাম যাদের নিয়ে ও যে অঞ্চলে ছবিটির দৃশ্যধারণ হয়েছে, সেখানে প্রদর্শন করার। সে অনুযায়ী এটি হচ্ছে। আরও একটা কথা মনে রাখা দরকার, “হৃদয়ের রংধনু” এমন একটি বাংলা ছবি যেখোনে আদিবাসী হিরো-হিরোইন আছে। এর আগে বাংলা ভাষার ছবিতে একজন মারমা নায়িকা অভিনয় করেছিলেন। কিন্তু এত ব্যাপক পরিসরে আদিবাসীরা বাংলা ছবিতে অভিনয়ের সুযোগ পায়নি। তাই তাদের এলাকাতেই প্রদর্শনী করছি। এর ফলে প্রথমবারের মতো এই এলাকায় চলচ্চিত্র প্রদর্শনী হতে যাচ্ছে।’

তিনি জানান, এরপর এর প্রদর্শনী সিলেটে হবে। এর আগে ঢাকা, সাভার, বান্দরবানসহ বেশ কিছু জায়গায় এটি দেখানো হয়েছে।

রাজিবুল বলেন, ‘আমাদের দেশের হল ব্যবস্থাপনা ভালো নয়। একজন স্বাধীন নির্মাতা হিসেবে আমি আমার মতো করে চলচ্চিত্র প্রদর্শন করতে চেয়েছি।’

প্রসঙ্গত, মুক্তির আগে থেকেই আলোচিত ‘হৃদয়ের রংধনু’। দুই বছর বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ডে আটকে থাকার পর গত ২৩ অক্টোবর ছাড়পত্র পায় এটি। ছবিতে দেশি-বিদেশি শিল্পীরা অভিনয় করেছেন। এদের মধ্যে আছেন মিনা পেটকোভিচ (সার্বিয়া), শামস কাদির, মুহতাসিম স্বজন, খিং সাই মং মারমা প্রমুখ। ২০১৪ সালে ছবিটির শুটিং শুরু হয়ে ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে শেষ হয়েছে। ছবিটির শুটিং হয়েছে দেশের ৫৪টি জেলায়।