advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

মাধ্যমিকে ঝরে পড়ার হার ৩৭.৬২

নিজস্ব প্রতিবেদক
১২ জুন ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১২ জুন ২০১৯ ০৯:২৬
advertisement

মাধ্যমিক স্তরে শিক্ষার্থীদের ঝরেপড়ার হার ৩৭ দশমিক ৬২ শতাংশ। প্রাথমিক স্তরে এ হার ১৮ দশমিক ৬ শতাংশ। গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তরে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এ তথ্য জানান।

সংসদ সদস্য এম আবদুল লতিফের এক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রীর দেওয়া তথ্যানুযায়ী, ২০০৯ সালে ৫৫.৩১ শতাংশ, ২০১০ সালে ৫৫.২৬ শতাংশ, ২০১১ সালে ৫৩.২৮ শতাংশ, ২০১২ সালে ৪৪.৬৫ শতাংশ, ২০১৩ সালে ৪৩.১৮ শতাংশ, ২০১৪ সালে ৪১.৫৯ শতাংশ, ২০১৫ সালে ৪০.২৯ শতাংশ, ২০১৬ সালে ৩৮.৩০ শতাংশ, ২০১৭ সালে ৩৭.৮১ শতাংশ এবং ২০১৮ সালে ৩৭.৬২ শতাংশ শিক্ষার্থী ঝরে পড়েছে।

শিক্ষামন্ত্রীর উপস্থাপিত এ তথ্য পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, ২০০৯ সালে ছেলেদের ঝরেপড়ার হার ছিল ৪২.১৫, আর মেয়েদের এই হার ছিল ৬৩.৯৩ শতাংশ। ২০১৮ সালে ছেলেদের ঝরেপড়ার হার ৩৬.০১ আর মেয়েদের ৪০.১৯ শতাংশ।

সংরক্ষিত আসনে খালেদা খানমের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি জানান, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন শিক্ষা অফিস ও সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীর শূন্যপদের সংখ্যা ৮ হাজার ৮৯৩টি। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত প্রসঙ্গে সংসদ সদস্য গোলাম ফারুক খন্দকার প্রিন্সের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এমপিওভুক্তির সুযোগ অবশ্যই হবে। তবে এখনো যেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেনি, সেসব প্রতিষ্ঠান পরবর্তী সময়ে যোগ্যতা অর্জনপূর্বক এমপিওভুক্ত করা হবে। তবে সেটি অবশ্যই ১০ বছর অপেক্ষা করতে হবে না।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এমপিরা সহযোগিতা করলে প্রত্যেকে যার যার নিজের এলাকায় সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে যোগ্যতা অর্জন করতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করলে এবার না হলে আগামীবার অবশ্যই হবে। এবার নিশ্চয়ই ১০ বছর অপেক্ষা করতে হবে না। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হওয়া নিয়ে বিতর্কের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হওয়ার যোগ্যতা-অযোগ্যতা নিয়ে সংসদীয় কমিটিতে আলোচনা হয়েছে। আরও আলোচনা হবে। এর পর আমরা সিদ্ধান্ত নেব। আর এমপিদের শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকা না থাকার সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকা না থাকা এক কথা নয়। বিষয়টি এক পাল্লায় মাপা যাবে না।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষকরা চাকরি করেন চাকরির শর্তানুযায়ী তাদের বিভিন্ন যোগ্যতা লাগে। এমপিরা কেউ চাকরি করেন না তারা জনগণের ভোটে নির্বাচিত। তবে সংবিধান এমপিদের যোগ্যতা-অযোগ্যতা নির্ণয় করে দেয়। বিষয়টি নিয়ে আমরা আলোচনা করছি। একটা সমাধানে উপনীত হতে পারব।

advertisement