advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

প্রণোদনা খাতে বরাদ্দ থাকছে ১৩ হাজার কোটি টাকা

আবু আলী
১২ জুন ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১২ জুন ২০১৯ ০০:১০
advertisement

আগামী ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটেও প্রণোদনা খাতে চলতি অর্থবছরের সমপরিমাণ অর্থাৎ ১৩ হাজার কোটি টাকা প্রাক্কলন করা হয়েছে। এর মধ্যে রপ্তানি খাতে নগদ প্রণোদনা থাকছে ৪ হাজার কোটি টাকা। এ ছাড়া পাট খাতের জন্য ৫০০ কোটি টাকা রাখার প্রস্তাব করছে অর্থ বিভাগ। ‘ভর্তুকি, প্রণোদনা ও নগদ ঋণ’ খাতে আসন্ন অর্থবছরে প্রাথমিকভাবে ৪২ হাজার ১০০ কোটি টাকা প্রাক্কলন করা হয়েছে। এটি চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছর থেকে ৪ হাজার ২৯৬ কোটি টাকা বেশি। খবর অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রের।

এবারের প্রাক্কলনেও ভর্তুকিতেই সর্বাধিক বরাদ্দ রাখা হয়েছে, পরিমাণ ২৩ হাজার ৬০০ কোটি টাকা। এর মধ্যে সর্বাধিক ভর্তুকি রাখা হচ্ছে বিদ্যুৎ খাতে, ৯ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। যদিও এটি চলতি অর্থবছরের তুলনায় ১০০ কোটি টাকা কম। খাদ্যেও চলতি বছরের তুলনায় ১০৪ কোটি টাকা বরাদ্দ কমিয়ে আসন্ন অর্থবছরে ধরা হচ্ছে ৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। এ ছাড়া অন্যান্য খাতে ৯ হাজার ৬০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখার প্রাক্কলন করা হয়েছে।

বাজেটে সাধারণত ভর্তুকি বেশি দেওয়া হয় কৃষি ও খাদ্য খাতে; প্রণোদনা বেশি দেওয়া হয় কৃষি, পোশাক রপ্তানি ও পাট খাতে এবং নগদ ঋণ বেশি দেওয়া হয়ে থাকে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি), বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডসহ (পিডিবি) এ ধরনের সংস্থাগুলোকে।

তবে বিপিসি, পিডিবিকে যে নগদ ঋণ দেওয়া হয়, সেগুলোকে এক ধরনের ভর্তুকি হিসেবেই দেখা হয়ে থাকে। কারণ এসব ঋণ সাধারণত সরকার ফেরত পায় না। সে কারণে পরে পুরো ঋণই অনুদান, ভর্তুকিতে রূপান্তরিত হয়। প্রসঙ্গত, বেসরকারি খাত থেকে বেশি দামে বিদ্যুৎ কিনে কম দামে বিদ্যুৎ পেতে পিডিবিকে ঋণ দেয় সরকার।

advertisement