advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

কাজ শেষ হতে না হতেই...

আরিফুল ইসলাম দিপু,কচুয়া (চাঁদপুর)
১২ জুন ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১২ জুন ২০১৯ ০১:৩১
advertisement

সংস্কারকাজ শেষ হতে না হতেই ভেঙে যাচ্ছে গৌরীপুর-কচুয়া-হাজীগঞ্জ সড়ক। ফলে যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছে পরিবহন চালন, যাত্রী ও সাধারণ জনগণ। সড়ক ও জনপথ বিভাগের ৪২ কিলোমিটার এ সড়ক দিয়ে চাঁদপুর, কচুয়া, হাজীগঞ্জ, মতলব, রামগঞ্জ, লক্ষ্মীপুর ও নোয়াখালী অঞ্চলের লোকজন ঢাকা, চাঁদপুর, কুমিল্লা ও চট্টগ্রামে যাতায়াত করে।

দুর্ঘটনা এড়াতে নতুন করে ওই সড়কে বাঁক সরলীকরণ, ব্রিজ-কালভার্টের কাজ শেষ হয়েছে। চাঁদপুর সড়ক ও জনপথ অফিস সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লার মেসার্স এমআরসি ও মেসার্স হাসান বিল্ডার্স ১৪ কোটি টাকা ব্যয়ে কাজটি করে।

গতকাল মঙ্গলবার সরেজমিন দেখা যায়, ১২টি বাঁক সরলীকরণ, চারটি কালভার্ট ও একটি ব্রিজ নির্মাণের কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। কাজ শেষ না হতেই নির্মাণাধীন সড়কটির অন্তত ২২টি স্থানে ভেঙে যাচ্ছে। সড়কের কাজ করতে গিয়ে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার সড়কের বিভিন্ন স্তরে বালি, খোয়া ও পাথর আনুপাতিক হারে মিশ্রণ না করার কারণে এ অবস্থা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সড়ক জনপথ বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের তদরকিও খুব একটা চোখে পড়ে না। কোনো কোনো স্থানে ভেঙে সড়কের মাঝখানে এসে পড়েছে। ফলে যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা হওয়ার আশঙ্কা করছে যাত্রী ও সাধারণ জনগণ। ভেঙে যাওয়া কোনো কোনো স্থানে লাল পতাকাও দেওয়া হয়নি। এ সড়ক মেরামত কাজের বিষয়ে চাঁদপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বহী প্রকৌশলী জহিরুল ইসলামের মুঠোফেনে বারবার চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি।

গাড়িচালক ও যাত্রীরা মনে করছেন, পালাখাল মোড়ে ২টি, দোয়াটি মেড়ে ২টিসহ অন্তত ৪টি স্থানে বাঁক সরলীকরণ খুবই ঝুঁকিপূর্ণ হয়েছে। কারণ বাঁক সোজা করতে গিয়ে প্রকৃতপক্ষে সোজা করা হয়নি। কারণ সড়কের বাঁকের একপ্রান্ত থেকে অন্যপ্রান্তের গাড়ি দেখা যায় না। এতে দুর্ঘটানর ঝুঁকি আরও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে তারা মনে করেন।

advertisement