advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

নিজ ঘরে মৎস্যজীবীকে মাথা বিচ্ছিন্ন করে খুন

নেত্রকোনা প্রতিনিধি ও নিজস্ব প্রতিবেদক,বগুড়া
১২ জুন ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১২ জুন ২০১৯ ০৯:৩৬
advertisement

নেত্রকোনায় বিষ্ণুচন্দ্র বর্মণ (৬০) নামে এক মৎস্যজীবীকে তার বসতঘরের ভেতর প্রকাশ্য দিবালোকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে খুন করা হয়েছে। হত্যাকারী এ সময় বিষ্ণুর শরীর থেকে তার মাথা বিচ্ছিন্ন করে ফেলে। ঘটনার পর পরই পুলিশ হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত তাসকিনকে (৩০) তার বাড়ি থেকে আটক করেছে।

নেত্রকোনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোঃ ফখরুজ্জামান জুয়েল স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানান, সদর উপজেলার চল্লিশা ইউনিয়নের সাকুয়া বাজারসংলগ্ন গন্ধবপুর গ্রামের বিষ্ণু গতকাল মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তার বসতঘরে ঘুমাচ্ছিলেন। এ সময় একই এলাকার তাসকিন নামের এক যুবক বিষ্ণুর ঘরে ঢুকে ধারালো দা দিয়ে কুপিয়ে তাকে হত্যা করে।

পরে হত্যাকারী বিষ্ণুর শরীর থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন করে পালিয়ে যায়। প্রতিবেশীরা তাসকিনকে বিষ্ণুর ঘর থেকে রক্তমাখা শরীর নিয়ে বের হতে দেখে চিৎকার করে। প্রতিবেশীরা বিষ্ণুর ঘরে এসে দেখে তার নিথর দেহ বিছানায় পড়ে রয়েছে। স্থানীয় লোকজন তাৎক্ষণিক বিষয়টি নেত্রকোনা মডের থানাকে জানালে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাসকিনের বাড়ি ঘেরাও করে তাকে আটক করে।

তাসকিন সাবেক নেত্রকোনা জেলা সমবায় অফিসার এমএ আহাদের ছেলে। এদিকে বগুড়ায় পাটক্ষেত থেকে খলিলুর রহমান (৫৫) নামে এক বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে সদর উপজেলার কদিমপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত খলিলুর রহমান পার্শ্ববর্তী গোপালবাড়ি গ্রামের মৃত রমজান আলীর ছেলে। সূত্র জানায়, সোমবার দুপুরে খলিলুর রহমান বাইসাইকেল নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর বাসায় ফেরেননি। দুপুর ১২টার দিকে পার্শ্ববর্তী কদিমপাড়া মাঠে গ্রামের লোকজন মরদেহটি দেখতে পান। খবর পেয়ে নিহতের স্বজনরা এসে মরদেহ শনাক্ত করেন।

বগুড়া সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) রেজাউল করিম জানান, গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যা করা হয়েছে। পাটক্ষেতের পাশেই তার ব্যবহৃত বাইসাইকেলটি পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, পূর্বশত্রুতার জের ধরে রাতে হত্যার পর মরদেহ পাটক্ষেতে ফেলে রাখা হয়েছে।

advertisement