advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

বিশ্বকাপ কর্নার সারারাতই মেঘ ছিল

মাইদুল আলম বাবু, ব্রিস্টল থেকে
১২ জুন ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১২ জুন ২০১৯ ০০:১২
advertisement

ব্রিস্টলে সোমবার বেশ ভালোই রোদ ছিল। তবে দুপুর থেকে শুরু হয় বৃষ্টি। আর এই বৃষ্টি থেমে থেমে এসেছে। ব্রিস্টলে রাত এসেছে, তবে বৃষ্টি পড়েছে নিয়মিত বিরতি দিয়েই। ব্রিস্টলের সকালটাও ছিল মন খারাপ করা। বৃষ্টি চলছিলই। আবহাওয়া রিপোর্টে তা-ই লেখা ছিল। শঙ্কা সত্যি হয়েছে। বাংলাদেশ-শ্রীলংকা ম্যাচেই বৃষ্টি হবে এটা আগেই জানা গিয়েছিল।

খেলোয়াড়রা হোটেলে বন্দি!

সকাল (স্থানীয় সময়) সাড়ে দশটায় বাংলাদেশ-শ্রীলংকা ম্যাচটি শুরু হওয়ার কথা ছিল। বৃষ্টির জন্য সময়মতো শুরু করা গেল না খেলাটি। খেলোয়াড়রা বেশিরভাগ হোটেলে সময় কাটিয়েছেন। বৃষ্টি থামছিলই না। থেমে থেমে এসেছে বৃষ্টি। সবাই বলছিলেন, এই খেলা হওয়ার সম্ভাবনা কম। শ্রীলংকার খেলোয়াড়রা তো চিন্তা করেছে, দুপুরের খাবারের সময় এসে একটু হাই-হ্যালো বলে যাবেন!

গ্রাউন্ডসম্যানদের অক্লান্ত পরিশ্রম

বারবার বৃষ্টি আসছিল। কষ্ট বেড়ে যাচ্ছিল মাঠের কর্মীদের। বৃষ্টির মধ্যেও তারা পানি নিষ্কাশনের কাজ করেছেন। আর বৃষ্টি যখনই থেমেছে দৌড়ে গেছেন। বিশ্বকাপে ব্রিস্টলে আর কোনো ম্যাচ নেই। ব্রিস্টলের স্থানীয়রা বেশ হতাশ হয়েছেন। মাঠের কর্মীরা পরিশ্রম করেছেন সাধ্যমতো। কিন্তু প্রকৃতি বিপক্ষে ছিল।

বাংলাদেশি সমর্থকরা হতাশ

অনেকে ১০০ থেকে ১৫০ পাউন্ড দিয়ে ব্রিস্টলে বাংলাদেশ-শ্রীলংকা ম্যাচের টিকিট কেটেছিলেন। বৃষ্টি মাথায় করে মাঠে এসেছিলেন তারা। কিন্তু খেলা সময়মতো শুরু হয়নি। মাঠে রেইনকোর্ট ও বর্ষাতি চাপিয়ে বসে ছিলেন। প্রবল বাতাস ও ঠা-ায় জমে যাচ্ছিলেন। বাংলাদেশের ম্যাচ দেখতে এসে হতাশ হয়েছেন তারা। তাপমাত্রা নেমে গিয়েছিল ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। এর মধ্যেও তারা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করেছেন।

বারবার পিছিয়ে মাঠ পরিদর্শনের কাজ

আম্পায়ার রিচার্ড ইলিংওর্থ ও রিচার্ড কেটলবরো মাঠে নেমেছেন এক-দুবার। তবে বারবার বৃষ্টি আসায় সিদ্ধান্ত নিতে পারছিলেন না। ইন্সপেকশন পিছিয়েছে কয়েকবার। ফলে সিদ্ধান্ত নেওয়া কঠিন হয়ে গিয়েছিল। পাহাড়ি এলাকায় ছোটখাটো এই মাঠে খেলাটি প- হয়ে যাওয়ার পথেই ছিল।

advertisement