advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

শিশুদের নিয়ে সমাজে বৈষম্য আছে

আবুল মোমেন , উপদেষ্টা সম্পাদক, দৈনিক আমাদের সময়
১২ জুন ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১২ জুন ২০১৯ ০০:৪৭
advertisement

আমাদের দেশে তরুণের সংখ্যা অনেক বেশি; তুলনামূলকভাবে শিশুর সংখ্যাও অনেক বেশি। আমরা যদি জাতিসংঘের ঘোষণা অনুযায়ী ১৮ বছরের নিচে সবাইকে শিশু হিসেবে ধরি, তা হলে দেশের জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেকই শিশু। আমাদের শিশুদের নিয়ে সমাজে বৈষম্য আছে। যে বয়সে শিশুরা পাঠ্যবই নিয়ে স্কুলে যাবে সে বয়সে তাদের শ্রমিক হিসেবে খাটানো হয়।

যারা দরিদ্র পরিবার এবং যেসব পরিবার প্রধানের ক্ষেত্রে একা ভরণপোষণ সম্ভব নয়, সেখানে ছোটদের দিয়ে কাজ করানো বহুকালের ঐহিত্য। আমাদের কামার, কুমার, তাঁতিÑ এসব পরিবারের সব ছেলেমেয়ের আয়ে জীবন ধারণ করা হয়।

এসব শিশুকে ঝুঁকিপূর্ণ কাজ থেকে বের করে আনাটাই আমাদের প্রথম দায়িত্ব। সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে এটা করতে হবে। কেবল শিশুদের বের করে আনলেই চলবে না, পরিবার যেন শিশুদের আবারও কাজে দিতে বাধ্য না হয়, এ জন্য পরিবারকে আর্থিকভাবেও স্বাবলম্বী করতে হবে।

তিনি বলেন, দেশে মৌলিক শিক্ষাটা সবার জন্য এক রকম হতে হবে। এটা সংবিধান বলে দিয়েছে। অষ্টম শ্রেণির পর নানা ধরনের বৃত্তিমূলক শিক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। বৃত্তিমূলক শিক্ষাব্যবস্থা থাকলে এরা দ্রুত দক্ষ জনবল হতে পারবে।

তা হলে আজকে সবাই স্বাগত জানালাম। এই বিষয়ে আরও একটু আলোচনা করা যেতে পারে, যাতে সরকার বা নীতিনির্ধারকদের সজাগ করা যায়।

advertisement