advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

শিশুদের জন্য ইনভেস্ট করতে হবে

মো. আইনুল কবীর, অতিরিক্ত সচিব, মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়
১২ জুন ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১২ জুন ২০১৯ ০০:৪৭
advertisement

মো. আইনুল কবীর বলেন, বর্তমানে পাঠ্যপুস্তকে ইথিকস অ্যান্ড মোরালিটির শিক্ষা আমরা দেখছি না। আমরা টেক্সট বোর্ডে ২২ জন বিশেষজ্ঞ নিয়োগ করেছি এই কাজে। যারা আমাদের শিশু-কিশোর, যারা ভবিষ্যতের নাগরিক, তাদের জন্য আমরা ইনভেস্ট করতে চাই। মহিলাবিষয়ক অধিদপ্তরের প্রস্তাব অনুযায়ী মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় সারাদেশে কিশোর-কিশোরীদের জন্য ৩ হাজারের বেশি ক্লাব প্রতিষ্ঠা করছে। এসব ক্লাব কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে বাল্যবিয়ে, গর্ভধারণ, পুষ্টির অভাব, ঝুঁকিপূর্ণ যৌন ব্যবহার, যৌন সংক্রামক ব্যাধি এবং এইচআইভি/এইডস, আঘাত পাওয়ার প্রবণতা, তামাক, মদ ও অনান্য মাদক বিষয়ে সচেতনতা গড়ে তুলবে। অন্যদিকে সরকার জাতীয় পর্যায়ে কিশোর-কিশোরীদের সহায়তা এবং তাদের উন্নতির লক্ষ্যে আরও প্রায় সাড়ে ৭ হাজার ক্লাব পরিচালনার বাজেট মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে বরাদ্দ দিয়েছে। সরকারের এই অতিরিক্ত সচিব আরও বলেন, সমাজের প্রত্যেকটি মানুষকে যার যার অবস্থান থেকে শিশুশ্রম নিরসনে কাজ করতে হবে।

এখানে সরকারের ঘাড়ে দায়িত্ব চাপিয়ে দেওয়া হলে শিশুশ্রম বন্ধ হবে না। প্রতিটি পাড়া-মহল্লা থেকে জনপ্রতিনিধিদের শিশুশ্রম বিষয়ে সাধারণ মানুষকে সচেতন করা একান্তই জরুরি। ছোট্ট দেশ, অনেক মানুষ। সরকারের পক্ষে একা এ সমস্যা সমাধান সম্ভব নয়। সবাই সচেতন হলে দেশ থেকে শিশুশ্রম নিরসন হবে। শিশুশ্রম বন্ধে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের বেশ কয়েকটি চলমান প্রকল্পের বিষয়ও তুলে ধরেন আইনুল কবীর।

advertisement