advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগের সমন্বয় প্রয়োজন

সাবিরা নূপুর, উপ-পরিচালক, অ্যাডভোকেসি, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ
১২ জুন ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১২ জুন ২০১৯ ০০:৪৭
advertisement

বৈঠকের শুরুতে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের ডেপুটি ডিরেক্টর সাবিরা নুপুর ভিডিও প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে বর্তমান বাংলাদেশের শিশুশ্রমের অবস্থা, বিবিএসের জরিপ, উপকূলীয় এলাকায় শিশুশ্রম, গার্মেন্টস, মৎস্য খামার, শুটকি পল্লী, চা বাগান এবং শিপইয়ার্ডে শিশুশ্রম অবস্থার চিত্র তুলে ধরেন। এছাড়া শিশুশ্রমের ঝুঁকিপূর্ণ খাত, এসডিজি, শিশুশ্রম নিরসন নীতি-২০১০, শ্রম আইন-২০১৬, শিশুদের সহিংসতা এবং শোষণ বিষয়ে আলোকপাত করেন তিনি। সাবিরা নুপুর বলেন, রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শিশুশ্রম বন্ধে কাজ করে যাচ্ছি। বিগত ১০ বছরে ওয়ার্ল্ডভিশন বাংলাদেশের কর্মকা- তুলে ধরে তিনি বলেন, এ সময়ে ঝুঁকিপূর্ণ শ্রমে নিয়োজিত ৮৮ হাজার শিশুকে নিয়ে কাজ করেছি এবং তাদের শিশুশ্রম থেকে মুক্ত করেছি।

আমাদের কর্মীরা ঢাকা,চট্টগ্রাম, খুলনা ও সুনামগঞ্জে বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেছেন। সেখানে তারা দেখেছেন শিশুদেরকে কর্মস্থল থেকে নিয়ে আসার পরও আবার তারা কাজে যুক্ত হচ্ছে। কর্মস্থল থেকে সরিয়ে আনার পরবর্তী সময়ে ভাতা ও সহযোগিতার অভাবেই এমনটা ঘটছে। তিনি আরও বলেন, এরকম পরিস্থিতি থেকে বোঝা যাচ্ছে যে, আর্থিক সংকটে পড়েই তারা কাজে বাধ্য হচ্ছে। শিশুশ্রম থেকে বেরিয়ে আসতে হলে অবশ্যই দরিদ্র এসব শিশুকে ভাতা দিতে হবে। তবেই শিশুশ্রম বন্ধ করা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি উদ্যোগও প্রয়োজন।

advertisement