advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

সহকর্মীকে ব্যাংক কর্মকর্তার ‘ধর্ষণ’, তদন্ত করবে পিবিআই

আদালত প্রতিবেদক
১২ জুন ২০১৯ ২০:৫৬ | আপডেট: ১২ জুন ২০১৯ ২০:৫৬
প্রতীকী ছবি
advertisement

রাজধানীর মতিঝিলে অবস্থিত সোনালী ব্যাংকের ওয়েজ অনার্স করপোরেট শাখার সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার এ এস এম কামরুল হাসান (৩৬) তার অফিসের এক সহকর্মীকে ধর্ষণের ঘটনাটি তদন্তের দায়িত্ব পেয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

আজ বুধবার ঢাকার ৫ নম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক বেগম শামসুন নাহার এ আদেশ দিয়েছেন।

এর আগে মামলাটি নারী সহায়তা ও তদন্ত বিভাগের পরিদর্শক মোসা. রোজিনা বেগম তদন্ত করেন। তদন্তে তিনি অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি মর্মে গত ১৬ মে আসামিকে অব্যাহতি দেওয়ার আবেদন করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন। ওই প্রতিবেদনের ওপর বুধবার নারাজি দাখিল করেন ভুক্তভোগী নারী। ট্রাইব্যুনাল ওই নারাজি গ্রহণ করে পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দেন।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী নারী বলেন, ‘তদন্ত কর্মকর্তা ইচ্ছা করে আসামি গ্রেপ্তার করেন নাই। তিনি অবৈধ সুবিধা নিয়ে তড়িঘরি করে মাত্র এক মাসের মধ্যে আদালতে মিথ্যা প্রতিবেদন দাখিল করেছেন। তিনি তদন্তকালে ঘটনাস্থল ও ব্যাংকেও যাননি।’ সঠিকভাবে তদন্ত হলে আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হতো বলেও বাদী অভিযোগ করেন।

চলতি বছরের ৪ এপ্রিল ভুক্তভোগী নারী রাজধানীর হাজারীবাগ থানায় এ মামলা দায়ের করেন। মামলায় বলা হয়, মতিঝিলের ওয়েজ আর্নার্স করপোরেট শাখায় চাকরির সুবাদে একই শাখার সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার এ এস এম কামরুল হাসানের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। পরে ওই পরিচয়ের সুবাদে আসামির সঙ্গে তিনি ফেসবুকের বন্ধু তালিকায় যুক্ত হন। এরপর তাদের মধ্যে চ্যাটিং ও বন্ধুত্বসুলভ কথাবার্তা চলতে থাকে। একপর্যায়ে আসামি তার স্ত্রীর সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদ হয়েছে জানিয়ে ওই নারীকে প্রেমের প্রস্তাবসহ কুপ্রস্তাব দেন। বাদী  এতে রাজি না হলেও আসামি তাকে বিভিন্নভাবে ফুসলিয়ে অবশেষে বিয়ের আশ্বাস দেন। এতে বাদী আসামির সঙ্গে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে যান।

এরই একপর্যায়ে ২০১৭ সালের ৭ সেপ্টেম্বর আসামির বাসায় পারিবারিক অনুষ্ঠানের কথা বলে দাওয়াত দিয়ে ওই নারীকে সেখানে নিয়ে যান। বাসায় গিয়ে অন্য কাউকে না দেখতে পেয়ে ভুক্তভোগী নারী চলে আসতে চাইলে আসামি তাকে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে ফুসলিয়ে দৈহিক সম্পর্ক স্থাপন করেন। পরবর্তীতে বিভিন্ন সময়েও আসামি ওই নারীর সঙ্গে একইভাবে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করলেও বিয়ে করেননি। বিয়ের জন্য চাপ দিলে এবং এ বিষয়ে অফিসে লিখিত অভিযোগ করলে বাদীর অন্তরঙ্গ ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেড়ে দেওয়ার হুমকি দেন আসামি।

advertisement