advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

২১ উপজেলায় ভোট ১৮ জুন

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৩ জুন ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১৩ জুন ২০১৯ ০৯:৫৩
advertisement

উপজেলা পরিষদের পঞ্চম ধাপের ভোটগ্রহণ ১৮ জুন। এ জন্য আজ বৃহস্পতিবার স্থানীয় পর্যায়ে ব্যালট পেপার পাঠাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সাধারণত ভোটের একদিন আগে ব্যালট পেপারসহ নির্বাচনী সামগ্রী পাঠানো হয়। এবারই প্রথমবারের মতো ভোটের চার দিন আগে ব্যালট পাঠানো হচ্ছে।

ইসির যুগ্ম সচিব ফরহাদ আহম্মদ খান বলেন, নির্বাচনী সামগ্রী পাঠানো একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। ব্যালট নির্বাচনী এলাকায় যাওয়ার পর শ্রেণিবদ্ধ করার বিষয় থাকে। নিরাপত্তার ঘাটতি নেই দাবি করে তিনি বলেন, নিরাপত্তার সঙ্গেই ব্যালট নির্বাচনী এলাকায় পৌঁছে দিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ব্যালট নির্বাচনী এলাকায় আগে চলে গেলেও এর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যাবে বলে দাবি করেন তিনি।

ইসি কর্মকর্তারা জানান, পঞ্চম ধাপে ১৮ জুন ২১ উপজেলায় ভোট অনুষ্ঠিত হবে। প্রথমে ১৬ উপজেলার তফসিল ঘোষণা করা হয়েছিল। পরে স্থগিত থাকা পাঁচ উপজেলার ভোটের তারিখও একই দিন ধার্য করা হয়। এদিকে ভোটের চার দিন আগে ব্যালট পাঠানোর সিদ্ধান্তে খোদ ইসিতেই চলছে আলোচনা-সমালোচনা। বর্তমান ইসির অধীনে নির্বাচনগুলোতে যেখানে আগের রাতে ব্যালটে সিল মারাসহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে, সেখানে ভোটের চার দিন আগে ব্যালট পাঠালে আরও বিশৃঙ্খলার আশঙ্কা প্রকাশ করেন ইসির একাধিক কর্মকর্তা।

ইসির ক্রয় ও মুদ্রণ শাখা সূত্রে জানা গেছে, পঞ্চমপর্যায়ের নির্বাচনের ব্যালট ও অন্যান্য নির্বাচনী সামগ্রী তেজগাঁওয়ের গভর্নমেন্ট প্রিন্টং প্রেস থেকে বিতরণ করা হবে আজ বৃহস্পতিবার।

সংশ্লিষ্ট জেলা নির্বাচন কর্মকর্তারা এসব সামগ্রী গ্রহণ করবেন। কোনো উপজেলায় প্রার্থী জটিলতা থাকলে ব্যালট বিতরণের তারিখ পরিবর্তন হতে পারে। ইসির ক্রয় ও মুদ্রণ শাখার সহকারী সচিব সৈয়দ গোলাম রাশেদ স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে ব্যালট পেপার ও অন্যান্য সামগ্রী গ্রহণ করতে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা অথবা ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যসহ গভর্নমেন্ট প্রিন্টিং প্রেসে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। এর আগে সকালে নির্বাচন কমিশনের ক্রয় ও মুদ্রণ শাখা থেকে চালান সংগ্রহ করতে হবে কর্মকর্তাদের। ব্যালটের নিরাপত্তার স্বার্থে কাভার্ডভ্যানে পরিবহন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

যে ১৬ উপজেলায় ভোট হবে, সেগুলো হচ্ছে-শেরপুরের নকলা, নাটোরের নলডাঙ্গা, সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ, গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ, পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী, বরগুনার তালতলী, গাজীপুর সদর, নারায়ণগঞ্জ বন্দর, মাদারীপুর সদর, রাজবাড়ীর কালুখালী, হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর ও বিজয়নগর, কুমিল্লার আদর্শ সদর ও সদর দক্ষিণ এবং নোয়াখালী সদর উপজেলা।

স্থগিত পাঁচ উপজেলা হচ্ছে- নেত্রকোনার পূর্বধলা, সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ, কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী, পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া ও ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলা পরিষদ। এসব উপজেলায় যে পর্যায় থেকে স্থগিত করা হয়েছিল, সে পর্যায় থেকে ১৮ জুন ভোটগ্রহণ করা হবে। এর আগে চার ধাপে ১০, ১৮, ২৪ ও ৩১ মার্চ প্রায় সাড়ে চারশ উপজেলায় ভোট হয়।

advertisement