advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

প্রয়োজন সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা

১৩ জুন ২০১৯ ০০:০০
আপডেট: ১৩ জুন ২০১৯ ১০:৪২
advertisement

কৃষক বাঁচাতে অবশেষে গুচ্ছ উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। কৃষি, খাদ্য ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় আগামী বোরো মৌসুমের আগেই এসব উদ্যোগ বাস্তবায়ন করবে। বর্তমান পরিস্থিতিতে সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ধান কেনা এবং চালের আমদানি শুল্ক বৃদ্ধি করা হবে।

ইতোমধ্যে ১০ থেকে ১৫ লাখ টন চাল রপ্তানির সিদ্ধান্ত হয়েছে এবং রপ্তানিতে উৎসাহ দিতে প্রণোদনা ২০ শতাংশের বেশি বৃদ্ধির চিন্তা করা হচ্ছে। সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কৃষিকে লাভজনক করার লক্ষ্যে একে যান্ত্রিকীকরণ, আধুনিকীকরণ ও বাণিজ্যিকীকরণ করার সব উদ্যোগই নেওয়া হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রকৃতপক্ষে কাজের কাজ হয়তো হবে সামান্যই কিংবা কিছুই নয়। শুধু কথার ফুলঝুরিই সার। কৃষিনির্ভর অর্থনীতির দেশের মেরুদণ্ড কৃষি। কিন্তু সেই কৃষককে সচ্ছল করতে রাষ্ট্র কখনই কার্যকর ও ধারাবাহিক তদারকির পদক্ষেপ নেয়নি। বলার অপেক্ষা রাখে না, এখনো গ্রামাঞ্চলের ৭০ শতাংশ মানুষ প্রত্যক্ষ-পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। তাই সরকারকে কৃষি ও কৃষক নিয়ে সুন্দর সুন্দর কথা বলতেই হচ্ছে। কিন্তু সেসব কথা কার্যকর করার জন্য যে প্রচেষ্টা ও বিনিয়োগ দরকার, তা কার্যত হচ্ছে না। কৃষক তার ফসলের ন্যায্যমূল্য কেন পাবেন না, তা নিয়ে সরকারি মহলে তেমন কোনো কথা শোনা যায় না।

বাস্তবে অন্যায্যভাবে কৃষকরা ঠকছেন, ঠকছেন ভোক্তারাও। সংক্ষেপে এর মুখ্য কারণ হলো আইনের শাসনে দুর্বলতা এবং বাজার ব্যবস্থাপনার ঘাটতি যথেষ্ট প্রসারিত হওয়া। এভাবে কৃষি খাতের অগ্রগতি টেকসই হবে না। আমরা বলতে চাই, সরকার যেসব উদ্যোগ নিয়েছে তা যেন শুধু কাগজে-কলমে না থাকে। এর ফল যেন কৃষক পায়। মনে রাখতে হবে কৃষক বাঁচলে বাঁচবে দেশ।

advertisement