advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

সময় হয়েছে চলে যাওয়ার...

বিনোদন সময় প্রতিবেদক
১৩ জুন ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১৩ জুন ২০১৯ ০৩:০৭
advertisement

তারকাদের প্রেম-বিরহ, বিয়ে-বিচ্ছেদের খবরে বরাবরই বেশ আগ্রহী সাধারণ মানুষ। আর এখন এসব খবর মুহূর্তের মধ্যে ‘ভাইরাল’ হয়ে যায়। ‘ভাইরাল’ হয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কারণে! পান থেকে চুন খসলেই তারকারা ফেসবুক, টুইটার, ইনস্টাগ্রামে ছবির পর ছবি আপলোড দিতে থাকেন।

আর সাধারণ মানুষ তারকাদের ফলোয়ার বলে তারা জানতে পারছেন, তার প্রিয়মুখ কখন কোথায় কী করছেন। এখন ‘ভাইরাল’ হচ্ছে চিত্রনায়িকা পরীমনির সঙ্গে বিনোদন সাংবাদিক তামিম হাসানের ‘বিয়ের আগে বিচ্ছেদ’-এর খবর। সাধারণ মানুষ খেয়াল করেছেন, ফেসবুকে তারা এখন আর একসঙ্গে ছবি আপলোড করছেন না; আগের অনেক ছবিই সরিয়ে ফেলেছেন।

সহজ সমীকরণ- বাগদান করেই বিচ্ছেদ! দুই বছর প্রেম করেছেন পরীমনি আর তামিম। এর পর এ বছর ১৪ এপ্রিল তাদের বাগদান হয়। দুই পরিবারের আত্মীয়স্বজন ছিলেন সেই অনুষ্ঠানে। বেশ জাঁকজমকপূর্ণ ছিল অনুষ্ঠানটি। বাগদান অনুষ্ঠানের পরদিন পরীমনি বলেছিলেন, ‘সামনে যে কোনো ১৪ এপ্রিল তারা বিয়ে করবেন।’

সেই ১৪ এপ্রিল আর বোধহয় এলো না পরী বা তামিমের জীবনে। কারণ কাছে আসার গল্প তাদের শেষ, সময় হয়েছে চলে যাওয়ার! সম্পর্ক বা বিচ্ছেদ নিয়ে পরীমনি একটা দামি কথা বলেছেন, ‘সম্পর্ক তো সেটাই শেষ হয়, যেটা আসলেই হয়।’ সঙ্গে তিনি যোগ করেন, ‘আমি কাজকে ফোকাস করতে চাই, বয়ফ্রেন্ডের ছবি নয়।’ আচ্ছা পরী কী জানেন না- ভাবিয়া করিও কাজ, করিয়া ভাবিও না। শুধু তিনি নয়, এটা সব তারকারই মাথায় রাখা উচিত। মাথায় রাখা উচিত- এই যে বিয়ের আগে বয়ফ্রেন্ডের ছবি দিচ্ছি, এই সম্পর্ক টিকবে তো! মিডিয়ায় তো বিয়ে টেকানোই মুশকিল।

একদিন কোনো এক আড্ডায় জনপ্রিয় অভিনেতা মোশররফ করিম বলেছিলেন, ‘পিঠা চেনেন? পিঠা বানানোর কিন্তু অনেক নিয়মকানুন আছে। কোনো কিছু বেশি বা কম হলে, আগেরটা পরে হলে পরেরটা আগে হলে পিঠা হবে না। নষ্ট হয়ে যাবে। বিয়ে বা প্রেম হচ্ছে এই পিঠা। নিয়মের বাইরে গেলেই নষ্ট হয়ে যাবে। এখন তো দোকানে গেলে পিঠা কিনতে পাওয়া যায়। কিন্তু এই পিঠা আর বাসায় বানানো পিঠার মধ্যে বিস্তর ফারাক।’ মোশাররফ করিম কি বলতে চেয়েছেন, পাঠক নিশ্চয়ই বুঝে গেছেন? এখনকার প্রেম হচ্ছে দোকানে বানানো পিঠা।

মোড়কে মুড়িয়ে রাখা হয়। খুব সাজিয়ে। লোক দেখানোর, আকৃষ্ট করাই এই পিঠার মূল উদ্দেশ্য। পরী-তামিম কত রঙের কত ঢঙের ছবি দিয়েছিলেন সেগুলো নিশ্চয় দেখেছেন সাধারণ মানুষ। সেগুলো আসলেই লোকদেখানোর, আকৃষ্ট করার মতো বিষয় ছিল। কারণ এখন পরী নিজেই বলেছেন- আমি কাজকে ফোকাস করতে চাই, বয়ফ্রেন্ডের ছবি নয়। এ বিষয়ে তামিম হাসানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে আমাদের সময়কে তিনি বলেন, ‘আমাদের মধ্যে মান-অভিমান চলছে, এটা ঠিক আছে। আমিও এটা জানি।

যেহেতু আমাদের এখনো বিয়ে হয়নি, এর মধ্যে যদি সিদ্ধান্ত এমন হয়, তবে হতে পারে। ওর প্রতি আমার কোনো অভিযোগ নেই। এই বিষয়ে পরীর যে কোনো সিদ্ধান্তে আমার সম্মান ও সমর্থন দুটোই আছে।’ পরীমনি বলেন, ‘একতরফা বলা ঠিক হবে না। শুধু বলব আমার কাজকে কেউ যদি অসম্মান করে, সেখানে আমি কখনো আপস করব না।’

advertisement