advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

দুর্দান্ত ওয়ার্নার বিধ্বংসী আমির

ক্রীড়া প্রতিবেদক
১৩ জুন ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১৩ জুন ২০১৯ ১০:৩৪

দুজনেরই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে ওঠার অভিজ্ঞতা হয়েছে। ম্যাচ ফিক্সিংয়ের দায়ে ৫ বছরের নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে ফেরেন মোহাম্মদ আমির। বল টেম্পারিংয়ের অভিযোগে এক বছর নিষিদ্ধ হন ডেভিড ওয়ার্নার। নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে পাকিস্তান দলে ফিরে এখন পুরনো হয়ে গেছেন আমির। তবে ওয়ার্নার নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে এই বিশ্বকাপেই ফিরেছেন।

বিতর্ক এখনো পিছু ছাড়েনি তার। এক বছর আগে দক্ষিণ আফ্রিকার মাঠে ওয়ার্নারদের বল ঘষা-মাজার দৃশ্যটি এখনো দর্শকদের কাছে তরতাজা স্মৃতি। তাই বিশ্বকাপ খেলতে নেমে দুয়ো শুনতে হয়েছে ওয়ার্নারকে। আগের ম্যাচে ধীরগতির ব্যাটিংয়ের জন্য সমালোচনাও সহ্য করতে হয়েছে তাকে। তবে সব বিতর্ক পেছনে ফেলে গতকাল নিজের মনের মতোই ব্যাট করে গেছেন ওয়ার্নার।

advertisement

নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে প্রথম বারের মতো সেঞ্চুরি পান। ব্যাট হাতে দারুণ জবাব দেন অজি এই ওপেনার। ওয়ার্নারের দিনে বল হাতে জ্বলে ওঠেন আমিরও। ৫ উইকেট শিকারের কৃতিত্ব দেখান এ বাঁহাতি পেসার।

ওয়ার্নার-অ্যারন ফিঞ্চ দুরন্ত সূচনা করেন। উদ্বোধনীতে ১৪৬ রানের জুটি গড়েন তারা। ব্যক্তিগত ৮২ রানে ফিঞ্চ আউট হলেও ওয়ার্নার সেঞ্চুরি তুলে নেন অনায়াসে। ১১১ বলে ১০৭ রানের অনবদ্য ইনিংস উপহার দেন। ৩৪ ওভারে ২ উইকেটে ২২৩ রান তোলে অস্ট্রেলিয়া। চারশ রানের স্কোর গড়ার সম্ভাবনা জাগিয়ে তুলেছিল দলটি। কিন্তু আমিরের বিধ্বংসী বোলিংয়ের সামনে এক ওভার বাকি থাকতে ৩০৭ রানেই গুটিয়ে যায় অজিদের ইনিংস।

ওয়ানডেতে আমির ক্যারিয়ারসেরা বোলিং করেন। ৩০ রান দিয়ে ৫ উইকেট শিকারের কীর্তি গড়েন। আগে তার সেরা বোলিং ফিগার ছিল ৪/২৮। জবাবে পাকিস্তানের শুরুটা ভালো হয়নি। দলীয় ৫৬ রানের মধ্যেই দুই উইকেট হারায় তারা। এর পর ইমাম-উল হক ও হাফিজের ব্যাটে এগিয়ে যায় পাকিস্তান। গতকালের ম্যাচের আগে তিনটি করে ম্যাচ খেলে অস্ট্রেলিয়া ও পাকিস্তান। অস্ট্রেলিয়া দুটিতে জয় পায়। পাকিস্তান জয় পায় একটি ম্যাচে।