advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

পরীক্ষার নম্বর গ্রেড পরিবর্তনের চিন্তা করছে শিক্ষাবোর্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৩ জুন ২০১৯ ১৪:০৩ | আপডেট: ১৩ জুন ২০১৯ ১৫:০৭

পাবলিক পরীক্ষার ফলাফলে নম্বর গ্রেড পরিবর্তনের চিন্তা করছে শিক্ষাবোর্ড। সর্বোচ্চ গ্রেড জিপিএ ৫ এর পরিবর্তে জিপিএ ৪ নির্ধারণের জন্য খসড়া প্রস্তাব তৈরি করেছে আন্ত-শিক্ষাবোর্ড সমন্বয় কমিটি।

আজ বৃহস্পতিবার এ কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক আমাদের সময়কে বলেন, ‘এ ব্যাপারে আমরা বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারের সঙ্গে বৈঠক করব। বিশ্বের অন্যান্য দেশের ফল পর্যালোচনা করব। এরপর আগামী এক মাসের মধ্যে সিজিপিএ ৪-এর মধ্যে কীভাবে ফল দেওয়া যায় সে ব্যাপারে একটি খসড়া শিক্ষামন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করব।’

তিনি বলেন, ‘সবার সম্মতি থাকলে চলতি বছরের জেএসসি থেকেই আমরা সিজিপিএ ৪-এর মধ্যে ফল প্রকাশ করা যাবে।’

অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক আরও জানান, বর্তামানে পাবলিক পরীক্ষায় সর্বোচ্চ গ্রেড নিধারণ হয় জিপিএ ৫। পঞ্চম শ্রেণির সমাপনী, জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি), সেকেন্ডারি স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) এবং হায়ার সেকেন্ডারি স্কুল সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষার ফল এই গ্রেড দেওয়া হয়। এখন নতুন প্রস্তাব যদি পাস হয় জিপিএ ৫ এর পরিবর্তে সিজিপিএ ৪ হবে সর্বোচ্চ গ্রেড।

গ্রেড পরিবর্তন কারণ সম্পর্কে এই অধ্যাপক জানান, দেশে পাবলিক পরীক্ষায় সিজিপিএ ৫-এর মধ্যে ফল প্রকাশ করা হয়। কিন্তু পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সিজিপিএ ৪-এর মধ্যে ফল প্রকাশ করা হয়। আর বিশ্বের অন্যান্য দেশে সব ধরনের ফলই প্রকাশ করা হয় সিজিপিএ ৪-এর মধ্যে। ফলে এসএসসি আর এইচএসসির ফলের সঙ্গে উচ্চতর শিক্ষার ফলের সমন্বয় করতে গিয়ে সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, ২০০১ সাল থেকে পাবলিক পরীক্ষায় গ্রেড পদ্ধতি চালু হয়। সেখানে ৮০ থেকে ১০০ নম্বর প্রাপ্তদের গ্রেড পয়েন্ট ৫, লেটার গ্রেড এ প্লাস। এটাই সর্বোচ্চ গ্রেড। এরপর ৭০ থেকে ৭৯ নম্বর প্রাপ্তদের গ্রেড পয়েন্ট ৪, লেটার গ্রেড এ। ৬০ থেকে ৬৯ নম্বর প্রাপ্তদের গ্রেড পয়েন্ট ৩.৫০, লেটার গ্রেড এ মাইনাস। ৫০ থেকে ৫৯ নম্বর প্রাপ্তদের গ্রেড পয়েন্ট ৩, লেটার গ্রেড বি। ৪০ থেকে ৪৯ নম্বর প্রাপ্তদের গ্রেড পয়েন্ট ২, লেটার গ্রেড সি। ৩৩ থেকে ৩৯ নম্বর প্রাপ্তদের গ্রেড পয়েন্ট এক, লেটার গ্রেড ডি। আর শূন্য থেকে ৩২ পাওয়া শিক্ষার্থীদের গ্রেড পয়েন্ট জিরো, লেটার গ্রেড এফ।