advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

বিদেশি স্মার্টফোনের দাম বাড়বে, কমবে ফিচার ফোনের

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৩ জুন ২০১৯ ১৮:০৬ | আপডেট: ১৩ জুন ২০১৯ ২০:৪১
advertisement

২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে স্মার্টফোনের আমদানি শুল্ক বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। গত বছর স্মার্টফোন ও ফিচার ফোনের আমদানি শুল্ক ১০ শতাংশ ছিল। কিন্ত এবারের বাজেটে স্মার্টফোনের আমদানি শুল্ক ২৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টার দিকে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে এই বাজেট উত্থাপন শুরু হয়। বাজেট উত্থাপন শেষ হয় পৌনে ৫টার দিকে। ‍

প্রস্তাবিত বাজেটে বলা হয়, আমদানি পর্যায়ে ফিচার ফোন ও স্মার্টফোনে বর্তমানে ১০ শতাংশ আমদানি শুল্ক প্রযোজ্য রয়েছে। ফিচার ফোন দেশের অপেক্ষাকৃত নিম্ন আয়ের জনগোষ্ঠী ব্যবহার করে। অপরদিকে স্মার্টফোন দেশের বিত্তবান লোকজন ব্যবহার করে থাকে। বিধায় স্মার্টফোন আমদানির শুল্ক বৃদ্ধি করে ২৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হচ্ছে। 

বাজেট প্রস্তাবে বলা হয়, দেশের তুলনামূলক নিম্ন আয়ের লোকজন ফিচারফোন ব্যবহার করায় এবারের বাজেটে এর আমদানি শুল্ক বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়নি। একই সঙ্গে দেশে গড়ে ওঠা সেলুলার ফোন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর যন্ত্রাংশ আমদানি শুল্ক হ্রাসেরও প্রস্তাব করা হয়েছে।

প্রস্তাবিত বাজেটে আরও বলা হয়, আইসিটি খাতের গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ সেলুলার ফোন উৎপাদন ও সংযোজনে রেয়াতি সুবিধা প্রদানের কারণে স্থানীয় পর্যায়ে পাঁচ থেকে ছয়টি সেলুলার ফোন উৎপাদন ও সংযোজনকারী প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। এ খাতে বিদ্যমান সুবিধা অব্যাহত রেখে সেলুলার ফোন উৎপাদনের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কতিপয় যন্ত্রাংশের আমদানির ক্ষেত্রে শুল্ক হ্রাসের প্রস্তাব করা হচ্ছে।

অসুস্থতা নিয়েই আজ জাতীয় সংসদে প্রবেশ করেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। তিনি বাজেট উত্থাপন শুরু করার কিছুক্ষণ পর অসুস্থতার কারণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বাজেট উত্থাপনের অনুরোধ জানান। পরে স্পিকারের অনুমতি নিয়ে বাজেট উত্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী।  

‘সমৃদ্ধ আগামীর পথযাত্রায় বাংলাদেশ : সময় এখন আমাদের, সময় এখন বাংলাদেশের’ শিরোনামে প্রস্তাবিত বাজেটের আকার পাঁচ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকা। দেশের ৪৮ বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বাজেট এটি।

advertisement