advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

সৌদিতে সূর্ঘের আলোয় কাজ করতে পারবেন না প্রবাসী কর্মীরা

প্রবাস ডেস্ক
১৪ জুন ২০১৯ ১২:১০ | আপডেট: ১৪ জুন ২০১৯ ১২:১৩
advertisement

সৌদি আরবে কর্মরত প্রবাসী কর্মীরা সূর্যের আলোয় কাজ করতে পারবেন না বলে জানিয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। দিনের বেলায় তাপমাত্রা বেশি থাকায় আগামী তিন মাসের জন্য এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে সৌদি সরকার।

সম্প্রতি দেশটির শ্রম ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয় এ সম্পর্কিত একটি ঘোষণা জারি করেছে। মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে জেদ্দায় অবস্থিত বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

সৌদি শ্রম উন্নয়ন মন্ত্রণালয়েল বরাত দিয়ে কনস্যুলেট জেনারেল জানিয়েছে, সৌদি আরবে দিনের বেলায় তাপমাত্রা বেশি থাকে। তাই আগামী ১৫ জুন থেকে আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রতিদিন দুপুর বারোটা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত কোনো কর্মী কাজ করতে পারবেন না।

শ্রম উন্নয়ন মন্ত্রণালয়েল এই ঘোষণায় বলা হয়, শ্রমিকদের মানবিক দিক এবং স্বাস্থ্যগত বিষয়টি চিন্তা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যদি এই নিয়মের কোনো ব্যত্যয় ঘটে, তাহলে সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের কাস্টমার কেয়ার নম্বর-১৯৯১১ জন্য জানাতে আহ্বান করা হয়েছে।

এদিকে সৌদি সরকারের এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন দেশটিতে কর্মরত প্রবাসী কর্মীরা।

জেদ্দায় কর্মরত বাংলাদেশি কর্মী শহিদুল আলমের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, ‘দীর্ঘ পাঁচ বছর পর প্রবাসী শ্রমিকদের নিয়ে সৌদি সরকারের পক্ষ থেকে এমন ইতিবাচক সাড়া পাওয়া গেলো।এর আগে প্রবাসীদের নিয়ে তেমন কোনো উদ্যোগ চোখে পড়েনি। তবে, মানবিক দিক বিবেচনা করে শ্রমিকদের কল্যাণে এ ঘোষণায় বেশ প্রশংসা পাচ্ছে সৌদি সরকার।’

প্রসঙ্গত, সৌদিকরণের ফলে বর্তমানে দেশটি থেকে বহু প্রবাসী কর্মী নিজ দেশে অথবা অন্য দেশে চলে গেছেন। এসব কর্মীদের স্থলে সৌদি নাগরিকদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তবে, কর্মক্ষেত্রে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সৌদি সরকার নানা পদক্ষেপ নিচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে প্রবাসী কর্মীদের বিষয়ে এমন ঘোষণা দিলো সৌদি সরকার।

উল্লেখ্য, মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে বড় এই শ্রমবাজারে বর্তমানে প্রায় ১৫ লাখেরও বেশি বাংলাদেশি কর্মরত রয়েছেন। সৌদিকরণ ঘোষণার আগে দেশটিতে প্রায় ২৫ লাখেরও বেশি বাংলাদেশি ছিল। বেশিরভাগ বাংলাদেশি নির্মাণ শ্রমিক হিসেবে কর্মরত থাকায় উত্তপ্ত রোদে বেশ কষ্ট করে কাজ করেন। যেকারণে প্রায়শ শ্রমিকরা নানা ধরণের রোগে ভুগে থাকেন। অনেকে অতিরিক্ত পরিশ্রম করায় জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে প্রবাসেই মৃত্যবরণ করেছেন।

advertisement