advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

আগে সন্ত্রাস থামান পরে আলোচনা, ইমরানকে মোদি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
১৪ জুন ২০১৯ ১২:৪১ | আপডেট: ১৪ জুন ২০১৯ ১২:৪১
advertisement

পাকিস্তান যতদিন না সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিচ্ছে ততদিন তাদের সঙ্গে কোনো আলোচনা নয় বলে জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। গতকাল বৃহস্পতিবার বিসকেকে ভারত-চীন দ্বি-পাক্ষিক বৈঠকের সময় জিন পিংকে মোদি এ কথা বলেছেন বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশকেকের সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের (এসসিও) শীর্ষ সম্মেলনে বৃহস্পতিবার জিনপিং-এর সঙ্গে একান্ত বৈঠকে সন্ত্রাস মোকাবিলায় ইসলামাবাদের ভূমিকা নিয়ে দিল্লির মতামত স্পষ্ট করেন নরেন্দ্র মোদি।  তিনি বলেন, ‘এই মুহূর্তে পাকিস্তানের উচিত সন্ত্রাস মুক্ত পরিবেশ তৈরি করা। কিন্তু এখন পর্যন্ত তেমন কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি পাকিস্তান সরকার।’

ভারতের বিদেশ সচিব বিজয় গোখলে জানান, নয়াদিল্লি আশা করছে, খুব শীঘ্রই ইসলামাবাদ এই বিষয়ে কড়া পদক্ষেপ নেবে।

এসসিও’র দুদিনের বৈঠকে যোগ দিতে এখন কিরগিজস্থানের রাজধানী শহর বিশকেক-এ রয়েছেন মোদি।  ভারত ছাড়াও এসসিও’র সদস্য দেশ-রাশিয়া, চীন, পাকিস্তান, কিরগিজস্থান, কাজাখস্তান, তাজিকিস্তান ও উজবেকিস্তানের রাষ্ট্রনেতারা উপস্থিত রয়েছেন।

সন্ত্রাস দমনে পাকিস্তানের ওপর এমনিতেই আন্তর্জাতিক চাপ রয়েছে।  তার ওপর ১৪ ফেব্রুয়ারি পুলওয়ামায় পাকিস্তানি জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মুহম্মদের হামলায় ৪০ জন ভারতীয় জওয়ান শহীদ হওয়ার ঘটনায় দুদেশের মধ্যে উত্তেজনা বেড়েই চলছে। এর মধ্যেই জঙ্গি সংগঠনটির প্রধান মাসুদ আজহারকে আন্তর্জাতিক জঙ্গি হিসাবে স্বীকৃতি দেওয়ার ক্ষেত্রে নিজেদের অবস্থান বদলে সায় দেয় বেজিংও।  ফলে একের পর এক জঙ্গি কার্যকলাপের জেরে পাকিস্তান এখন এক রকম কোণঠাশা। এই পরিস্থিতিতে ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় বসা পাকিস্তানের জন্য অত্যন্ত জরুরি।

সম্প্রতি লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পর পরই পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান মোদিকে চিঠি লিখেন।  ইমরান মোদীকে লেখেন, তিনি সব ব্যাপারে কথা বল‌তে ইচ্ছুক। এমনকি কাশ্মীর নিয়েও। তবে মনে করা হচ্ছে, এর পরিপ্রেক্ষিতেই চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে পাকিস্তান সম্পর্কে ভারতের অবস্থান স্পষ্ট করে জানিয়ে দিলেন মোদি। তাই বিশকেকে এই শীর্ষ সম্মেলনে মোদি ও ইমরান দুজনেই উপস্থিত থাকা সত্ত্বেও, দুজনের একান্ত বৈঠকের সম্ভাবনা তেমন নেই বললেই চলে।

advertisement