advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করুন

১৬ জুন ২০১৯ ০০:০০
আপডেট: ১৬ জুন ২০১৯ ০৮:৫০
advertisement

উদ্বোধনের দুই বছর পরও মগবাজার-মৌচাক ফ্লাইওভারের স্থাপিত বাতিগুলো জ্বলছে না। ফলে দুর্ভোগের সঙ্গে বেড়েছে নগরবাসীর নিরাপত্তাহীনতা। অথচ গুরুত্বপূর্ণ ফ্লাইওভারটির ব্যবস্থাপনা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চলে রশি টানাটানি। গত বছরের নভেম্বরে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) দায়িত্ব বুঝে নিলেও ফ্লাইওভারটির রক্ষণাবেক্ষণে কোনো ভূমিকা রাখেনি।

গতকাল আমাদের সময়ের এক প্রতিবেদনে জানা গেছে, মগবাজার-মৌচাক ফ্লাইওভার উদ্বোধনের পর পেরিয়ে গেছে দুই বছর। ৮ দশমিক ২৫ কিলোমিটার দীর্ঘ ফ্লাইওভার ২০১৭ সালে উদ্বোধনের সময়ে লাইটপোস্টের বাতি জ্বললেও বর্তমানে সব অকেজো। ২০১৬ সালের ৩০ মার্চ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাতরাস্তা-মগবাজার-হলি ফ্যামিলি হাসপাতাল অংশের উদ্বোধন করেন।

পরে ১৫ সেপ্টেম্বর ইস্কাটন-মৌচাক অংশের যান চলাচল উদ্বোধন করেন তৎকালীন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন। ২০১৭ সালের ১৭ মে খুলে দেওয়া হয় ফ্লাইওভারটির এফডিসি মোড় থেকে সোনারগাঁও হোটেল পর্যন্ত কারওয়ান বাজারমুখী অংশ। মগবাজার-মৌচাক ফ্লাইওভারে চার শতাধিক লাইটপোস্ট রয়েছে। কিন্তু দুঃখের বিষয়, বর্তমানে এর একটিও আর জ্বলে না। অবশ্য উদ্বোধনের পর কিছুদিন বাতিগুলো আলো দিয়েছিল।

প্রশ্ন হচ্ছে, তা হলে বাতিগুলো এখন আর কেন আলো দিচ্ছে না। নিশ্চয় নিম্নমানের সরঞ্জাম ব্যবহার করা হয়েছিল। তবে শুধু ওই ফ্লাইওভারেই পুরো রাজধানীজুড়েই কোথাও স্বল্প আলো আবার কোথাও আঁধার-এ নিয়েই বাস করছেন মেগাসিটি রাজধানী ঢাকার প্রায় দেড় কোটি বাসিন্দা। অভিযোগ আছে ফ্লাইওভারের নিরাপত্তাব্যবস্থা না থাকায় এর বাল্ব চুরি করে নিয়ে যায় মাদকসেবীরা। এর পর দীর্ঘদিন ধরেই অন্ধকারে ডুবে আছে পুরো ফ্লাইওভার।

নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান, বাস্তবায়নের দায়িত্বে থাকা এলজিইডি, সিটি করপোরেশন কেউই ফ্লাইওভারের দেখভালের দায়িত্বে ছিল না দীর্ঘদিন। কিন্তু এখন যাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তারা সদয় হয়ে বাতিগুলো জ্বালানোর মতো জরুরি কাজটি অন্তত পালন করবে এই আস্থা কি তাদের ওপর রাখ যায়? আস্থাহীনতার সৃষ্টির কারণ হলো, দক্ষিণ সিটি করপোরেশন গত নভেম্বরে দায়িত্ব বুঝে নিলেও এত দিনেও তাদের টনক নড়েনি। আমরা আর অজুহাত শুনতে চাই না অবিলম্বে দক্ষিণ সিটি করপোরেশন মগবাজার-মৌচাক ফ্লাইওভারের অন্ধকার দূর করে নাগরিক সেবা নিশ্চিত করবে এমনটাই প্রত্যাশা।

advertisement