advertisement
advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

রোহিঙ্গা ইস্যুর সমাধান না হলে অস্থিতিশীলতা দেখা দেবে

আমাদের সময় ডেস্ক
১৬ জুন ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১৭ জুন ২০১৯ ০৮:৪৫
advertisement

রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে নিরাপত্তা ও মর্যাদার সঙ্গে প্রত্যাবাসনে সিআইসিএ অংশীদারদের স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থন ও সহযোগিতা চেয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। তিনি বলেন, এ সমস্যার সমাধান না হলে এ সংকট গোটা অঞ্চলে অস্থিতিশীলতা তৈরি করতে পারে। গতকাল শনিবার তাজিকিস্তানের রাজধানী দুশানবে কনফারেন্স অন ইন্টারঅ্যাকশন অ্যান্ড কনফিডেন্স বিল্ডিং মেজার্স ইন এশিয়ার (সিআইসিএ) পঞ্চম সম্মেলনে ভাষণে তিনি এ আশঙ্কা প্রকাশ করেন। খবর : বাসস।

রাষ্ট্রপতি রোহিঙ্গা সংকটের ব্যাপারে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরে বলেন, ভয়ঙ্কর গণহত্যা ও ব্যাপকভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার রোহিঙ্গা জনগণের জন্য বাংলাদেশ তার দ্বার উন্মুক্ত করে দিয়েছে। আমরা এ সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধান চাই। এ জন্য তাদের প্রত্যাবাসনে মিয়ানমারের সঙ্গে চুক্তি করেছি।

এ অঞ্চলে বিভিন্ন ইস্যুতে একত্রে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, আমরা সহিংস চরমপন্থি, আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ, জোরপূর্বক উদ্বাস্তু অভিবাসীদের সীমান্ত অতিক্রম করার মতো অনেক গুরুতর সমস্যার মোকাবিলা করছি। এসব ইস্যু মোকাবিলায় সাড়া দিতে সমন্বিত সহযোগিতা প্রয়োজন। তিনি বলেন, অনিয়মিত অভিবাসন, মাদক পাচার, আঞ্চলিক দাবি, জাতিগত সংঘাত, বিচ্ছিন্নতাবাদ, অর্থনৈতিক সমস্যা ও জলবায়ু পরিবর্তন এশিয়া অঞ্চলের নিরাপত্তার জন্য ক্রমাগত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে।

আবদুল হামিদ আরও বলেন, অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য এশিয়ায় নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা প্রয়োজন। সংলাপ ও সহযোগিতার মাধ্যমে আমরা এগুলো অর্জন করতে পারি। তাজিকিস্তানের প্রেসিডেন্ট এমোমাইল রাহমন সম্মেলনের অধিবেশনটির সভাপতিত্ব করেন। ৯টি দেশের প্রেসিডেন্ট, ৩ দেশের প্রধানমন্ত্রী ও কাতারের আমির এবং ৩৯টি দেশের প্রতিনিধি ও আন্তর্জাতিক সংস্থা সম্মেলনে যোগ দেন। স্থানীয় সময় সকাল পৌনে ১০টার দিকে সম্মেলনের প্রধান আয়োজন শুরু হয়। সম্মেলনের এবারের প্রতিপাদ্যÑ ‘একটি নিরাপদ ও অধিকতর সমৃদ্ধ সিআইসিএ অঞ্চলের জন্য অভিন্ন লক্ষ্য।’

সিআইসিএ হচ্ছে এশিয়ায় শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার জন্য সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে গঠিত বহুজাতিক ফোরাম। সিআইসিএর ২৭টি সদস্য দেশ হচ্ছে- বাংলাদেশ, ভারত, চীন, রাশিয়া, আফগানিস্তান, আজারবাইজান, বাহরাইন, কম্বোডিয়া, মিসর, ইরান, ইরাক, ইসরায়েল, জর্দান, কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, মঙ্গোলিয়া, পাকিস্তান, ফিলিস্তিন, কাতার, কোরিয়া, শ্রীলংকা, তাজিকিস্তান, থাইল্যান্ড, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, উজবেকিস্তান ও ভিয়েতনাম। আটটি দেশও এতে পর্যবেক্ষক হিসেবে রয়েছে। অধিবেশনে ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন, সচিব কামরুল আহসান ও রাষ্ট্রপতির সচিব সম্পদ বড়ুয়া।

advertisement