advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

আমাদের সম্ভাবনা বেশি

১৭ জুন ২০১৯ ০০:০০
আপডেট: ১৭ জুন ২০১৯ ০৮:৩৩
advertisement

বাংলাদেশ সম্প্রতি ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ভালো খেলেছে। সে জন্যই আমাদের সুযোগ বেশি। আমি জানি এটা বিশ্বকাপ, ভিন্ন টুর্নামেন্ট, ভিন্ন পরিবেশ। তবে মানসিকভাবে আমরাই এগিয়ে থাকব। আজ শুধু তামিম ইকবালকে জ্বলে উঠতে হবে। আর বাংলাদেশ অতিরিক্ত একজন পেসার নেওয়ার চিন্তা করতে পারে। আমার মনে হয় সেটি ভালো হবে। আজকের ম্যাচটি আমাদের জেতা উচিত। যে ধরনের উইকেটে খেলা হবে, সেটি আমাদের পক্ষে থাকবে বলে আশা করি।

টনটনের উইকেটে ঘাস আছে। আগের দুই ম্যাচে পেসাররা ভালো করেছে। আমি বেশ আশাবাদী। বাংলাদেশ দলে যদি রুবেলকে নেওয়া যেতো তা হলে এগিয়ে থাকতাম। মাঠটিও ছোট। পেসারদের ভূমিকা থাকবে বলে মনে করি। ম্যানেজমেন্ট যেটি ভালো বোঝে সেটিই করবে। আমার কাছে মনে হয়, ওয়েস্ট ইন্ডিজের এই দলটির তুলনায় আমরা কম না। ওদের বড় শট খেলার ব্যাটসম্যান যেমন আছে, তেমন আমাদেরও আছে। ওয়ানডে খেলার সময় একটা ব্যাপার মাথায় রাখতে হয়। সবসময় প্রতিটি বলেই চড়াও হওয়া বুদ্ধিমানের কাজ নয়। উইকেট বুঝতে হবে। সে মোতাবেক কাজ করতে পারলে সফল হওয়ায় সম্ভাবনা রয়েছে। আমি আশাবাদী মানুষ।

বিশ্বকাপে টিকে থাকার লড়াই। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও বাংলাদেশ এক রেখায় রয়েছে। ওরা ছেড়ে কথা বলবে না। বিশ্বকাপে ওদের রেকর্ড ভালো। আমরা কখনই জিতিনি। আমি তো মনে করি ক্ষুধা আমাদের বেশি। জ্বলে ওঠার এটাই সময়। এই ম্যাচটি আমরা জিততে পারলে সামনে প্রেরণা বেড়ে যাবে। আমাদের দলটি অনেক ভালো খেলছে। শেষ কথা হচ্ছে, মাশরাফি ও তামিমের ফেরাটা জরুরি। তামিম তার ছন্দে ফিরলেই কেবল আমরা কাক্সিক্ষত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারি।

ত্রিদেশীয় সিরিজে রাসেল ছিল না। এই বিশ্বকাপে আছে। তার প্রতি আমাদের মনোযোগ রাখাটা জরুরি। সে আমাদের ক্ষতি করতে পারে। ব্যাটিং, বোলিং ও ফিল্ডিংয়ে সমান ভয়ঙ্কর সে। তাই গেইল ও রাসেলকে আগে আউট করতে পারলে আমাদের অর্ধেক কাজ হয়ে যাবে। আশা রাখছি। আমি মনে করি বাংলাদেশের সম্ভাবনাই বেশি।