advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

আবারও দুরন্ত সাকিব

মাইদুল আলম বাবু,টনটন থেকে
১৮ জুন ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১৮ জুন ২০১৯ ০৮:৩০
advertisement

সকাল থেকেই রোদ। পাহাড়ের কোল ঘেঁষে মেঘের খেলা চলেছে সারাদিন। সূর্য আড়ালেই হেসেছে। বৃষ্টি কান্না হয়ে আসেনি, বাংলাদেশও পেয়েছে স্বস্তি। তবে বাংলাদেশের মূল টার্গেট ক্রিস গেইল ও আন্দ্রে রাসেলকে খালি হাতে ফিরিয়েও রক্ষা অবশ্য হয়নি। সেই পুরনো ঘাতক হোপ আশা জাগান ক্যারিবীয়দের।

মিস ফিল্ডিং, অতিরিক্ত রান ও শিমরন হেটমায়ার ছাড়াও হোল্ডার শেষে জ্বলে উঠলে রান ৩২১ হয়ে যায়। বিশ্বকাপে এটিই বাংলাদেশের বিপক্ষে ক্যারিবীয়দের সর্বোচ্চ স্কোর। ছোট মাঠ বলেই বাংলাদেশ আশাবাদী ছিল। আর উইকেটে বল ঠিকভাবে ব্যাটে আসছিল বলেই ভয় কাজ করেনি। তবে সারাদিনে একমাত্র শঙ্কা, মাশরাফি শেষের দিকে মাঠ ছেড়ে চলে যান। এটা ভয়ের ব্যাপারও বটে!

মাশরাফি আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলেন, ব্যাটসম্যান কমিয়ে তিনি বোলার নেওয়ার বিপক্ষে। কথা রেখেছেন। রুবেল হোসেন এই দলে সুযোগ পাননি। আগের তিন ইনিংসে খারাপ খেলায় মোহাম্মদ মিঠুন বাদ পড়েছেন। লিটন দাসকে দলে নেওয়া হয়েছে। আন্দ্রে রাসেলকে নিয়ে শঙ্কা ছিল। ওয়েস্ট ইন্ডিজ তাকে নিয়েই একাদশ সাজায়।

মেঘলা আবহাওয়া ও প্রচণ্ড বাতাসে মাশরাফি টস জিতে ফিল্ডিং নেন। অনেকে অবাক হয়েছেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিশাল ব্যাটিং লাইনআপ। আটজন মূল ব্যাটসম্যান তাদের দলে। যা-ই হোক ক্রিস গেইলকে (০) দারুণ ডেলিভারিতে আউট করেন সাইফউদ্দিন। ১৩ বলে কোনো রান না করে ফেরত যান এ ভয়ঙ্কর ওপেনার। এভিন লুইস ও সেই হোপ দ্বিতীয় উইকেটে ১১৬ রানের জুটি উপহার দেয়। এর পর চতুর্থ উইকেটে হোপ-হেটমায়ার ৮৩ রান যোগ করেন। এর পর বড় জুটি না এলেও ওয়েস্ট ইন্ডিজ তিনশ পার করে ফেলে। সেই হোপের প্রিয় প্রতিপক্ষ বাংলাদেশ। তবে এই যাত্রায় ১০০ করতে পারেননি। ৯৬ রানে ফেরেন। ৫ বাঁ-হাতি ব্যাটসম্যান নিয়ে দল সাজায় ক্যারিবীয়রা।

হোপ ও হেটমায়ার বড় হুমকি ছিলেন। সাকিব ও মোস্তাফিজ ম্যাচটি কিছুটা নিয়ন্ত্রণ এনেছে। দ্বিতীয় উইকেট জুটি ভাঙেন সাকিব। এভিন লুইস ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেছিলেন। ৭০ রানে তিনি সাকিবের বলে আউট হন। ২৬ বলে ৫০ রান করে ফেলেন হেটমায়ার। হেটমায়ারকে আউট করেন মোস্তাফিজ।

আন্দ্রে রাসেলকেও মোস্তাফিজ আউট করে ম্যাচটি নাগালের বাইরে নিয়ে যেতে দেননি ফিজ। তবে শেষের দিকে জেসন হোল্ডার ১৫ বলে ৩৩ রান করে ক্যারিবীয়দের বড় স্কোরে পৌঁছে দেয়। মোস্তাফিজ ও সাইফউদ্দিন ৩টি করে উইকেট পেয়েছেন। সাকিব ৫৪ রানে ২টি উইকেট। মাশরাফি ৮ ওভারে ৩৭ রান দিয়েছেন। কোনো উইকেট পাননি। আবার শেষের দিকে প্লেয়ারদের বসার জায়গায় চলে যান।

advertisement