advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা পূরণে সংস্কার দরকার

নাজনীন আহমেদ
১৮ জুন ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১৮ জুন ২০১৯ ০১:২৫
advertisement

২০১৯-২০ অর্থবছরে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) ৩ লাখ ২৫ হাজার ৬০০ কোটি টাকার রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হয়েছে, যা চলতি অর্থবছরের সংশোধিত লক্ষ্য থেকে ১৭ শতাংশের মতো বেশি।

গত কয়েক বছরের ধারাবাহিকতায় রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ নাও হতে পারে। তবে লক্ষ্যমাত্রা বড় ধরতে হয়। অবশ্য অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল করের আওতা বাড়িয়ে এটি আদায়ের কথা বলেছেন।

আগামী অর্থবছরে ৫ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকার বাজেট দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৩ লাখ ২৫ হাজার ৬০০ কোটি টাকা জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হয়। গত কয়েক বছর ধরে ৭৫ থেকে ৮০ শতাংশ আহরিত হয়েছে। তবে করের আওতা বাড়াতে পারলে এটি আদায় সম্ভব।

লক্ষ্যমাত্রা আদায়ে সংশয় থাকলেও টার্গেট বড় রাখতে হবে। তা না হলে অর্থনীতি বড় হবে না। তবে রাজস্ব আহরণে নীতিমালা পরিবর্তন করতে হবে। যারা রাজস্ব আহরণ করে তারাই নীতিমালা করে। এজন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ের নীতিমালা ঠিক করে দিতে হবে। যারা রাজস্ব আহরণ করবেন তাদের আন্তরিকতা দরকার। তারা যদি সঠিকভাবে রাজস্ব আহরণ করে তা হলে কর ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ থাকবে না।

এ ছাড়া জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে পরিবর্তনের অঙ্গীকার প্রয়োজন। পাশাপাশি আইনের পরিপালক দরকার। এ ছাড়া জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কর আদায় ও ব্যবস্থাপনার কাঠামোগত দুর্বলতাকে মেনে নিয়ে নতুন ভ্যাট আইন বাস্তবায়নের যে প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছে, তা এ বাজেটের বড় চ্যালেঞ্জ।

বর্তমানে যেভাবে ভ্যাটের কাঠামো ঘোষিত হয়েছে, তা ২০১২-এর ভ্যাট আইনের অনেক বাইরে গিয়ে খোলনলচে বদলানোতে এক অদ্ভুত রূপ নিয়েছে। এরূপ কাঠামো দিয়ে যে জটিলতা দেখা দেবে, তা সরকারের রাজস্ব আদায়ের এ বড় উৎসে চরম অস্থিরতা তৈরি করতে পারে। তাই প্রস্তাবিত ভ্যাট কাঠামো বাস্তবায়নের আগে আরও বিশেষজ্ঞ মতামত নেওয়া প্রয়োজন। নাজনীন আহমেদ : জ্যেষ্ঠ গবেষক, বিআইডিএস

advertisement