advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

বোলিং ও ফিল্ডিং আরও ভালো হতে পারত

১৮ জুন ২০১৯ ০০:০০
আপডেট: ১৮ জুন ২০১৯ ০১:০৮
advertisement

আমার কাছে আরেকটি পেসার না নেওয়াটা অবাক লেগেছে। তারপরও যারা বোলিং করেছেন, তারা সেরাটা দিতে পারেননি। ফিল্ডিং ঠিকমতো হলে আমরা বেশ অনেক এগিয়ে থাকতাম। এ ছাড়া অতিরিক্ত রানও বেশি দিয়েছি। মাঠ ছোট হলেও, বিশ্বকাপে এত রান তাড়া করা ঝুঁকিপূর্ণ।

বাংলাদেশের বোলিংটা এই বিশ্বকাপে আমাকে হতাশ করেছে। মাশরাফি ও তামিমকে জ্বলে উঠতে হতো। মাশরাফি সঠিক লাইনে বলও করেছেন। উইকেটপ্রাপ্তি ঘটেনি তার। তবে সে চেষ্টা করে যাচ্ছে। এ ছাড়া সাইফউদ্দিন গেইলকে আউট করে দারুণ শুরু করলেও রানটা বেশি দিয়ে ফেলেছেন।

আমার কাছে মনে হয়েছে বাংলাদেশ আরও দিতে পারত। তাদের সে সামর্থ্য ছিল। তবে অতিরিক্ত রান ও কয়েকটি মিস ফিল্ডিং আমাকে হতাশ করেছে। আশা করি সামনের ম্যাচ থেকে বাংলাদেশের বোলাররা এসব দুর্বলতা কাটিয়ে উঠবে। আমি বিশ্বকাপের প্রথম থেকেই বলছি, বোলিংটা সে মোতাবেক হচ্ছে না। আমরা যেভাবে চাই সেভাবে হয়নি। এ ক্ষেত্রে অবশ্য ইংল্যান্ডের কন্ডিশন দায়ী।

বাংলাদেশ ত্রিদেশীয় সিরিজও খেলেছে আয়ারল্যান্ডে। আমি মনে করি এখন, ফিল্ডিং ও বোলিংটা সামর্থ্য অনুযায়ী ভালো করলে আমরা সামনে আরও ভালো করতে পারব। অতিরিক্ত ২২টি রান অনেক। কতটা সেটা কাল বোঝা গেছে। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে মাঠ ছোট সে জন্য বড় হিট নিতে সাহস পেয়েছে। সে জন্য কিছু রান হয়েছে।

বাংলাদেশি বোলারদের কষ্ট হয়েছে লাইন ও লেংথে বল ফেলতে। পুরান ও হেটমেয়ার ছোট মাঠে কতটা ভয়ঙ্কর তার আভাস দেখিয়ে দিয়েছে। আমাদের এখনো কিছু জায়গায় কাজ করতে হবে।

advertisement