advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

তথ্য গোপনের বিধান রেখে ট্যারিফ কমিশন আইনের চূড়ান্ত অনুমোদন

১৮ জুন ২০১৯ ০১:৫৩
আপডেট: ১৮ জুন ২০১৯ ০১:৫৮
advertisement

কিছু সংশোধনী এনে বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন (সংশোধন) আইন, ২০১৯-এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। সেই সঙ্গে এর নাম পরিবর্তন করে ‘বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন’ করা হয়েছে।

গতকাল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে তেজগাঁওয়ে তার কার্যালয়ে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়।

বৈঠক শেষে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান। মূলত সংস্থাটির কার্যক্ষমতা বাড়াতে বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন আইন, ১৯৯২ সংশোধন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

শফিউল আলম বলেন, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের কাছে থাকা তথ্য গোপন রাখার বাধ্যবাধকতা রেখে এই আইনে কমিশনের কার্যাবলিতে কমিশনের কাজের পরিমাণ অনেক বেশি বাড়ানো হয়েছে। শুল্কনীতি পর্যালোচনা, আন্তর্জাতিক আঞ্চলিক ও বহুপক্ষীয় বাণিজ্য চুক্তি, ট্রানজিট ট্রান্সশিপমেন্ট, জিএসপি, শিল্প বাণিজ্য বিনিয়োগ, বিকল্প নীতি এবং বৈদেশিক বাণিজ্যসহ অনেকগুলো বিষয় এ আইনে যুক্ত করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, পুরনো আইনের ৮ ধারায় কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। এ ধারায় উপধারা ২-এ কমিশনের কর্মকর্তা ও কর্মচারী উপধারা ২-এর অধীন প্রাপ্ত তথ্যের গোপনীয়তা নিশ্চিত করবে। এখানে নিয়োজিত কোনো কর্মকর্তা যদি কোনো তথ্য আগেই ফাঁস করে দেয়, তা হলে ব্যবসার প্রতিযোগিতার ক্ষেত্রে সংকট তৈরি করতে পারে। এ জন্য এই আইনে তাদের জন্য তথ্য গোপন রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

প্রশাসনের শীর্ষ এই কর্মকর্তা বলেন, আরেকটি বিষয় যুক্ত করা হয়েছে আইনের ১২ ধারায়। গবেষণা বা সমীক্ষা কাজে সহায়তা করার লক্ষ্যে কমিশন সরকারের পূর্ব অনুমোদনক্রমে নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক পরামর্শক ও গবেষক নিয়োগ করতে পারবে। মন্ত্রিসভার আকার বাড়ানোর ব্যাপারে তার কাছে কোনো খবর নেই বলে জানান শফিউল আলম।