advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

চট্টগ্রাম পাসপোর্ট অফিসে দালালদের দৌরাত্ম্য দেখল দুদক

চট্টগ্রাম ব্যুরো
১৯ জুন ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১৯ জুন ২০১৯ ১০:০৮
advertisement

চট্টগ্রাম নগরীর পাঁচলাইশ এলাকায় অবস্থিত আঞ্চলিক পাসপোর্ট কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে দালালদের দৌরাত্ম ও গ্রাহক হয়রানির প্রমাণ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গতকাল মঙ্গলবার সকালে এ অভিযান চালানো হয়।

বিষয়টি প্রতিবেদন আকারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে জানানোর কথা বলেছেন দুদক কর্মকর্তারা। তবে পাঁচলাইশ পাসপোর্ট অফিসের কার্যক্রম যে সোনালী ব্যাংককে ঘিরে, পাঁচলাইশ থানার সামনে অবস্থিত-সেই ব্যাংকে অভিযান চালাননি দুদক কর্মকর্তারা।

এ প্রসঙ্গে দুদক কর্মকর্তারা বলেছেন, তারা নিশ্চিত হতে চেয়েছেন পাসপোর্ট কার্যালয়ে দালাল ও গ্রাহক হয়রানি আছে। দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় ১-এর সহকারী পরিচালক জাফর আহমেদ এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন।

সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ছদ্মবেশে থাকা দুদকের কর্মকর্তারা দালালদের প্রকাশ্যে কাজ করতে দেখেন। অভিযানে মূলত দালালচক্রের চার ধরনের কর্মকা- দেখেছেন দুদক কর্মকর্তারা। এগুলোর মধ্যে রয়েছে-গ্রাহকদের ঝামেলা এড়ানোর প্রলোভন দেখিয়ে দালালরা নিজেরাই ফরম সংগ্রহ করছেন, পূরণ ও জমা দেওয়ার জন্য বাড়তি টাকা আদায় করা, দালালদের সাংকেতিক চিহ্ন ছাড়া ফরম গ্রহণে গ্রাহকদের হয়রানি করা এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে গ্রাহকদের যেতে না দেওয়া।প্রায় এক ঘণ্টারও বেশি সময় দুদক টিমের সদস্যরা ছদ্মবেশে সেখানে অবস্থান করে গ্রাহকদের জিম্মি করার প্রমাণ পান।

দুদক, চট্টগ্রামের উপসহকারী পরিচালক লুৎফুল কবির চন্দন বলেন, দুদক দলের সদস্যরা মূলত পাসপোর্ট অফিসে দালালদের হয়রানির অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে গিয়েছিলেন। প্রাথমিকভাবে আমরা দালালচক্রের দৌরাত্ম্যের প্রমাণ পেয়েছি। আমাদের উদ্দেশ্য দালালচক্র ভেঙে দেওয়া। আমরা যেসব প্রমাণ পেয়েছি, সেগুলো প্রতিবেদন আকারে দুদক আইনের ১০৬ ধারায় কমিশনের কাছে জমা দেব। কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

advertisement