advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

ঈদ পুনর্মিলনী ও বনভোজনে পর্তুগাল প্রবাসীরা

নাঈম হাসান পাভেল পর্তুগাল
১৯ জুন ২০১৯ ১৭:১৮ | আপডেট: ১৯ জুন ২০১৯ ১৭:১৮
advertisement

আনন্দঘন পরিবেশে দিনব্যাপী নানা আয়োজনের মধ্যে দিয়ে ওয়ান ফ্যামিলি লিসবনের ঈদ পুনর্মিলনী বনভোজন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত শনিবার সর্বোচ্চ সংখ্যক প্রবাসী পরিবারের অংশগ্রহণে বনভোজনটি বাংলাদেশিদের মিলনমেলায় পরিণত হয়।

পর্তুগালের রাজধানী লিসবন থেকে বাস ও ব্যক্তিগত গাড়িযোগে শতাধিক প্রবাসী বাংলাদেশি বনভোজনে অংশগ্রহণ করেন। নারী, পুরুষ ও শিশুরা ভিন্ন ভিন্ন রংয়ের পোশাক পড়ে অংশ নেন।

বনভোজনে সব বয়সীদের জন্য নানা ধরনের প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয় নানা। ছোটদের লক্ষ্যভেদ, নারী ও পুরুষদের জন্য কয়েকটি প্রতিযোগিতা এছাড়াও অংশগ্রহণকারী প্রত্যেককে প্রদান করা হয় একটি করে টিকিট পরে র‍্যাফেল ড্রয়ের মাধ্যমে দশজনকে পুরস্কার প্রদান করা হয়। পরে বিভিন্ন ইভেন্টে অংশ নেয়া বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। পুরষ্কার বিতরণ করেন পর্তুগালে প্রবীণ বাংলাদেশি মো. শোয়েব মিয়া।

অংশগ্রহকারীরা তিনটি দর্শনীয় স্থান ভ্রমণ করেন। প্রথমে সান্তারেম শহরের পারায়া ফ্লুভিয়াল দ্যা অর্তিগা, সেখানে একসঙ্গে দুপুরের খাবার ও বড়দের ও বাচ্চাদের বিভিন্ন ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হয়। এরপর পাসাদিকো দ্যা আলামাল এবং সবশেষে নাভাও নদীর তীরের গির্জার শহর তোমারে পৌঁছায় দর্শনার্থীরা। সবার অংশগ্রহণে বাসে যোগে গান, কৌতুক, ভালোবাসার গল্পে মুখর ছিলো পুরো পথ।

ঈদ পুনর্মিলনী এই বনভোজনের মূল সমন্বয়কারী ছিলেন, ওয়ায়েজ খান, ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারী, মো. লুটন।

পর্তুগালে বাংলাদেশি পরিবারগুলোর মধ্যে একটি সুন্দর বন্ধন তৈরি করতে এবং যেকোনো উৎসব ও বিশেষ দিনে প্রবাসে স্বজনদের অভাব ভুলে নিজেদের মধ্যে আনন্দ ভাগাভাগি করে নেয়ার উপলক্ষ্য তৈরি করতে এমন আয়োজন বলেন জানান আয়োজকরা।

রান্না ও মেয়েদের ইভেন্টগুলোর পরিচালনায় ছিলেন, শারমিন মৌ, যূথী, শারমিন আহমেদ, রাঁখি চন্দা রয়, ইতি, সোমা হোসাইন।

আয়োজনের সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন, নয়ন রয়, মোশাররফ হোসাইন, সাংবাদিক রনি মোহাম্মদ, মোস্তাফিজুর রহমান, শিশির, শাহিন, জাফর সাদিক, সাইদুর রহমান, গোলাম রাব্বানী, জি এম আরিফ, শাওন ইসলাম, এনামুল হক, ইমরান শোয়াইব, হাসান চৌধুরী, শম্ভু নাথ সাহা, মেহেদী হাসান, ইসমাইল হোসেন, তারিকুল ইসলাম, সাইদুর রহমান প্রমুখ।

প্রবাসে সাধারণ সবসময় এমন আয়োজন দেখা যায় না। এমন পারিবারিক আয়োজনে শিশুরা উপলক্ষ্য খুঁজে পায়, নতুন বন্ধু, খেলার সাথী খুঁজে পায়। পরিবারগুলোর মধ্যেও বন্ধন হয় দৃঢ়। প্রবাসে স্বদেশের স্বজনের অভাব পূরণ করে স্বজনদের ছোঁয়া দেয় এই ধরনের বনভোজন। তাই অংশগ্রহণকারী সবাই এমন আয়োজনটি উপভোগ করার পাশাপাশি বলেছেন এমন আয়োজনগুলোর ধারাবাহিকতা থাকা জরুরি।