advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

অধিকতর তদন্তে নতুন নাম পাওয়া যায়নি

আদালত প্রতিবেদক
২৫ জুন ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ২৫ জুন ২০১৯ ০৯:১৪
advertisement

রাজধানীতে বাসচাপায় বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের (বিইউপি) আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষার্থী আবরার আহাম্মেদ চৌধুরীর মৃত্যুর ঘটনায় করা হত্যা মামলার অধিকতর তদন্তে নতুন কারও সম্পৃক্ততা পায়নি পুলিশ। সম্প্রতি ঢাকার সিএমএম আদালতে এমনই প্রতিবেদন দাখিল করেছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের ইন্সপেক্টর কাজী শরিফুল ইসলাম, যা গতকাল সোমবার জানা গেছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, অভিযোগপত্র জমার পর যেসব সাক্ষী আবরারের মৃত্যুর ঘটনায় অন্য আরও অনেকে জড়িত আছে মর্মে তথ্য দিয়েছিলেন, তার সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এ জন্য সম্পূরক কোনো চার্জশিট দাখিল করা সম্ভব হচ্ছে না। এর আগে এ মামলায় গত ২৪ এপ্রিল সুপ্রভাত পরিবহনের ঘাতক বাসের মালিক ননী গোপাল সরকার, কন্ডাক্টর ইয়াছিন আরাফাত, সুপ্রভাত পরিবহন রুটের সভাপতি আলাউদ্দিন ও রুটের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আশরাফ উদ্দিনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা। তবে সুপ্রভাত বাসের চালক সিরাজুল ইসলাম ওরফে মিরাজ এবং হেলপার ইব্রাহীম হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের অব্যাহতি দিতে আবেদন করেন তিনি।

পরে এ ঘটনায় আর কারও সম্পৃক্ততা রয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখতে গত ২৯ এপ্রিল অধিকতর তদন্তের আদেশ দেন আদালত। গত ১৯ মার্চ সকালে রাজধানীর প্রগতি সরণির বসুন্ধরা গেটে সুপ্রভাত পরিবহনের বাসের চাপায় প্রাণ হারান শিক্ষার্থী আবরার। এ ঘটনায় ওইদিনই তার বাবা অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আরিফ আহম্মেদ চৌধুরী মামলা করেন। এদিকে আবরারের মৃত্যুতে নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনে নামে শিক্ষার্থীরা। সে সময় তাদের বিক্ষোভে দুদিন রাজধানীর রাজপথ কার্যত অচল ছিল।

মামলার তদন্তে বেরিয়ে আসে, ওই বাসটি আবরারকে চাপা দেওয়ার আগে গুলশানের শাহজাদপুর বাঁশতলা এলাকায় মিরপুর আইডিয়াল গার্লস ল্যাবরেটরি কলেজের ছাত্রী সিনথিয়া সুলতানা মুক্তাকেও চাপা দিয়ে আহত করে।

advertisement