advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

সাদা হয়েছে ১৩ লাখ ভরি

নিজস্ব প্রতিবেদক
২৭ জুন ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ২৭ জুন ২০১৯ ১০:১৩
advertisement

দেশে প্রথমবারের মতো আয়োজিত স্বর্ণমেলায় ব্যাপক সাড়া মিলেছে। তিন দিনের মেলায় অপ্রদর্শিত স্বর্ণ সাদা হয়েছে ১৩ লাখ ভরি। এর পাশাপাশি প্রায় এক হাজার ক্যারেট হীরা ও ৫০০ ভরি রুপা সাদা করেছেন ব্যবসায়ীরা। সাদা করেছেন ২ হাজার ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান। খবর মেলা সূত্রের। মেলা থেকে সরকারের রাজস্ব আয় এসেছে ১৩০ কোটি টাকা।

এনবিআরের হিসাবমতে, ঢাকায় ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলের বলরুমে আয়োজিত স্বর্ণমেলা থেকে কর রাজস্ব আয় হয়েছে ১০১ কোটি টাকার। এ ছাড়া চট্টগ্রামে স্বর্ণমেলা থেকে আয় এসেছে ১০ কোটি ৩১ লাখ টাকা, খুলনায় ৭ কোটি ২৯ লাখ, বরিশালে ৩ কোটি ১২ লাখ, রাজশাহীতে ১ কোটি ২ লাখ, রংপুরে ৩ কোটি, সিলেটে ৩ কোটি ২০ লাখ এবং ময়মনসিংহে প্রায় ১ কোটি টাকার কর রাজস্ব এসেছে। গত রবিবার রাজধানীসহ দেশের সব বিভাগীয় শহরে স্বর্ণমেলা শুরু হয়।

ঢাকা ও চট্টগ্রামে তিন দিনব্যাপী মেলা চললেও দেশের অন্যান্য বিভাগীয় শহরে মেলা ছিল দুই দিনের। স্বর্ণমেলা আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সদস্য (আয়কর নীতি) কানন কুমার রায় বলেন, দেশে প্রথমবারের মতো এ ধরনের মেলা আয়োজন করা হলেও ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে আমরা ভালো সাড়া পেয়েছি। মেলার শেষ দিন ঢাকা ও চট্টগ্রামে রাত ১০টা পর্যন্ত লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে ব্যবসায়ীরা মেলায় অপ্রদর্শিত সোনা বৈধ করেছেন। এনবিআরের আয়োজনে স্বর্ণমেলায় সহায়তা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।

উল্লেখ্য, কাগজপত্রবিহীন বা অপ্রদর্শিত সোনা নির্দিষ্ট পরিমাণ কর দিয়ে বৈধ করার সুযোগ দিতে গত মাসে এনবিআর একটি পরিপত্র জারি করে। পরিপত্র অনুযায়ী ব্যবসায়ীরা অপ্রদর্শিত প্রতি ভরি সোনা ও সোনার অলঙ্কারে ১ হাজার টাকা, হীরায় ৬ হাজার টাকা ও রুপায় ৫০ টাকা আয়কর প্রদান করে বৈধ করতে পারবেন। অপ্রদর্শিত সোনা বৈধকরণের উৎসাহ দেওয়ার লক্ষে এনবিআর স্বর্ণমেলার আয়োজন করে। মেলা শেষ হলেও একই প্রক্রিয়ায় নির্দিষ্ট করাঞ্চলের কার্যালয়ে গিয়ে সোনা বৈধ করার সুযোগ ৩০ জুন পর্যন্ত পাবেন জুয়েলার্স ব্যবসায়ীরা।

advertisement