advertisement
International Standard University
advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

গুঁড়াদুধের আমদানি শুল্ক ২৫ শতাংশ করার দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক
২৭ জুন ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ২৭ জুন ২০১৯ ১০:১৪
advertisement

২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে আমদানি করা গুঁড়াদুধের ওপর শুল্ক ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১০ শতাংশ করার প্রস্তাবনায় অসন্তোষ জানিয়েছে জাতীয় ডেইরি উন্নয়ন ফোরাম। সংগঠনটির মতে, আমদানি শুল্ক তুলনামূলক কম থাকার কারণে দেশে গুঁড়াদুধ আমদানি বেড়ে গেছে। এতে ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে দেশীয় দুগ্ধ শিল্প খাত। তাই গুঁড়াদুধের আমদানি নিরুৎসাহিত করতে আমদানি শুল্ক কমপক্ষে ২৫ শতাংশ করার জোর দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।

গতকাল বুধবার রাজধানীর বাংলামোটরে একটি হোটেলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে আমদানি শুল্ক কমানোর কারণে দেশে গুঁড়াদুধ আমদানি বেড়েছে প্রায় ১২ শতাংশ। এ অবস্থা চলতে থাকলে দেশীয় গুঁড়াদুধ উৎপাদনকারীরা নিরুৎসাহিত হবেন। তারা গুঁড়াদুধ উৎপাদন বন্ধ করে দিলে গ্রামাঞ্চলের দুধ উৎপাদনকারী লাখ লাখ গরিব খামারি ক্ষতির মুখে পড়বেন।

সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক মো. আনিসুর রহমান বলেন, গত এক দশকে দেশে দুধ উৎপাদন বেড়েছে তিন গুণ। মাংস উৎপাদন বেড়েছে প্রায় সাত গুণ। এ খাতে বিনিয়োগও বেড়েছে। দেশে দুধের মোট চাহিদার ৩ ভাগের ২ ভাগ এখন দেশেই উৎপাদন হচ্ছে। বিকাশমান এ শিল্পে দুধ উৎপাদনের সঙ্গে জড়িত দেশের সবচেয়ে গরিব মানুষগুলো। সুতরাং দুগ্ধ শিল্পকে বাঁচানো মানে দেশের গরিব মানুষকে বাঁচানো।

এ বিষয়ে অন্য বক্তারা বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে ২০৩০ সালের মধ্যে তিন কোটি নতুন কর্মসংস্থান তৈরির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। সে কর্মসংস্থান তৈরিতেও দুগ্ধ শিল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। দুগ্ধশিল্পে দেশের গ্রামীণ নারীদেরও সম্পৃক্ততা রয়েছে। এ শিল্পের বিকাশে ভবিষ্যতে নারীর কর্মসংস্থান ও ক্ষমতায়নও বৃদ্ধি পাবে। অন্যদের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন ফোরামের সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট উম্মে কুলসুম স্মৃতি, বেসরকারি আন্তর্জাতিক অলাভজনক সংস্থা অক্সফামের মঞ্জুরুল রশিদ প্রমুখ।

advertisement