advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

জ্বালানি ব্যবহারে প্রযুক্তি উদ্ভাবনে বিনিয়োগ বৃদ্ধির আহ্বান

নিজস্ব প্রতিবেদক
২৭ জুন ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ২৭ জুন ২০১৯ ১০:০৫
advertisement

শিল্পে যে ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে, তা অনেক সময় পরিবেশের ক্ষতি সাধন করছে। এ জন্য পরিবেশবান্ধব নবায়ণযোগ্য জ্বালানি ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। শিল্পে জ্বালানি ব্যবহারে দক্ষতা বাড়াতে নতুন নতুন প্রযুক্তির উদ্ভাবনে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে উদ্যোক্তাদের।

গতকাল বুধবার ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) আয়োজিত দুদিনব্যাপী ‘ইন্টারন্যাশনাল ক্লিন টেকনোলজি ফেয়ারের’ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেন। ডিসিসিআইয়ের মেটাবিল্ড প্রকল্পের কার্যক্রমের আওতায় রাজধানীর কাকরাইলে ইনস্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি) ভবনের অডিটরিয়ামে এ মেলার আয়োজন করা হয়েছে। টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (স্রডো) চেয়ারম্যান মো. হেলাল উদ্দিন প্রধান অতিথি হিসেবে মেলার উদ্বোধন করেন।

এ সময় স্রডোর সদস্য সিদ্দিক জোবায়ের, ডিসিসিআইয়ের ঊর্ধ্বতন সহসভাপতি ওয়াকার আহমেদ চৌধুরী, সহসভাপতি ইমরান আহমেদ, পরিচালক খন্দকার রাশেদুল আহসান এবং এনামুল হক পাটোয়ারী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। মেলায় প্রায় ৭০টি প্রতিষ্ঠান নিজেদের উদ্ভাবিত পণ্য, প্রযুক্তি এবং ব্যবহারের কার্যপদ্ধতি প্রদর্শন করছে। আয়োজিত মেলা সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। স্রডোর চেয়ারম্যান মো. হেলাল উদ্দিন বলেন, এ ধরনের উদ্যোগ বাংলাদেশে টেকসই প্রযুক্তি ব্যবহারের গতিকে আরও ত্বরান্বিত করবে।

তিনি বলেন, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের জন্য জ্বালানি ব্যবহারের দক্ষতা বাড়ানোর কোনো বিকল্প নেই এবং এ লক্ষ্যে গৃহস্থালির পাশাপাশি শিল্প-কারখানায় টেকসই ও ক্লিন প্রযুক্তি ব্যবহারের কোনো বিকল্প নেই। তিনি শিল্প-কারখানায় ব্যবহারের জন্য নতুন নতুন টেকসই প্রযুক্তি উদ্ভাবনে বিনিয়োগ করার জন্য উদ্যোক্তাদের প্রতি আহ্বান জানান। স্রডোর সদস্য সিদ্দিক জোবায়ের বলেন, শিল্পায়নের ধারাকে বেগবান করতে গিয়ে আমরা যে ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করছি, যা অনেক সময় পরিবেশের ক্ষতি সাধন করছে এবং এর ফলে সারা পৃথিবীতে পরিবেশের সুরক্ষা একটি প্রধান প্রতিপাদ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। এমন বাস্তবতায় ক্লিন টেকনোলজি বা টেকসই প্রযুক্তি একান্ত আবশ্যক।

মেটাবিল্ড প্রকল্পের সিনিয়র টেকনিক্যাল এক্সপার্ট রজত ভাট্রা বলেন, ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের আর্থিক সহায়তায় মেটাবিল্ড প্রকল্প বাংলাদেশে ২৫০টি এবং নেপাল ও শ্রীলংকায় ৪০টি ইস্পাত শিল্প প্রতিষ্ঠানে কার্যক্রম চালাচ্ছে।

advertisement