advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

প্রায় ৯ হাজার বাংলাদেশি বন্দী রয়েছে বিদেশে

নিজস্ব প্রতিবেদক
১১ জুলাই ২০১৯ ২০:৫৮ | আপডেট: ১১ জুলাই ২০১৯ ২০:৫৮
advertisement

২০১৯ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে থাকা তথ্য অনুযায়ী ৮ হাজার ৮৪৮ জন বাংলাদেশি পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের জেলে বা ডিটেনশন সেন্টারে আটক আছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন।

আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে সরকারি দলের সংসদ সদস্য এম আবদুল লতিফের প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘কূটনৈতিক পদক্ষেপের মাধ্যমে বিদেশি কারাগারে আটক বাংলাদেশিদের ফিরিয়ে আনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অন্যতম দায়িত্ব। এটা রুটিন মাফিক পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দূতাবাসের সাহায্যে করে আসছে।’

মোমেন আরও বলেন, যখনই কোনো বাংলাদেশির প্রত্যাবাসন জরুরী হয়ে পড়ে দূতাবাস সংশ্লিষ্ট দেশের যথাযথ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সে দেশের আইন ও বিধি অনুযায়ী প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে প্রবাসীদের জন্য ভ্রমণ ডকুমেন্ট (পাসপোর্ট/ট্রাভেল পাস) তৈরী করে দেয়। অনেক সময় সাজার মেয়াদ কমিয়ে দেওয়া, সাধারণ ক্ষমার সুযোগ নেওয়া অথবা আইনজীবী নিয়োগ করে মামলা পরিচালনা করে আটককৃতদের মুক্তির ব্যবস্থা করা, এ সবই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নিয়মিতভাবে করে আসছে।

এ সময় ইন্দোনেশিয়া, তিউনিশিয়া, লিবিয়া ও ভানুয়াতু থেকে আটকে পড়া অনেক বাংলাদেশি দূতাবাসের সার্বিক প্রচেষ্টায় বাংলাদেশে ফিরে এসেছে বা বাংলাদেশে ফিরে আসার প্রক্রিয়াধীন আছে বলেও জানান মন্ত্রী।

বাংলাদেশ-ভারত দ্বি-পাক্ষিক সম্পর্কের ব্যাপারে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল মোমেন বলেন,  ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুযোগ্য নেতৃত্বে ও দিক নির্দেশনায় বিগত এক দশকে ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক একটি নতুন উচ্চতায় আসীন হয়েছে। বাংলাদেশ-ভারত দ্বি-পাক্ষিক সম্পর্ক বর্তমানে অনন্য উচ্চতায় অবস্থান করছে। তবে উভয় দেশ নিকটতম প্রতিবেশী হওয়ায় উভয়ের মধ্যে বিভিন্ন ইস্যু থাকাটা অত্যন্ত স্বাভাবিক। আমাদেরও আছে। ’

পারস্পরিক বোঝাপড়া এবং সুপ্রতিবেশীসুলভ ও ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে এগুলো সমাধানের প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে বলেও জানান মন্ত্রী।

জাতীয় সংসদ অধিবেশনে সরকারি দলের সদস্য পুলিশের সাবেক আইজিপি নূর মোহাম্মদের একটি লিখিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী আরও বলেন, দ্বি-পাক্ষিক সম্পর্ক উত্তরোত্তর উন্নয়নে আমাদের দুদেশের ঐকান্তিক ইচ্ছার বিষয়টি অত্যন্ত স্পষ্ট। স্থল সীমানা ও সমুদ্র সীমার সমাধান, সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ দমন এবং ছিটমহল বিনিময় আমাদের দুদেশের মধ্যকার স্বদিচ্ছার সর্বোচ্চ প্রতিফলন। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে বিজেপি বিপুল ভোটে পুন:নির্বাচিত হওয়ায় আমাদের আশাবাদ দৃঢ়তর হয়েছে, উভয় দেশের বিদ্যমান বাণিজ্য ঘাটতি ও পানি সম্পদের সুষম বণ্টন ও তার উপযুক্ত ব্যবহারসহ অন্যান্য অনিষ্পন্ন ইস্যুসমূহেরও শীঘ্র নিষ্পত্তি হবে।

advertisement