advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

দ্রুত শাস্তি হলে কমবে অপরাধ

নিজস্ব প্রতিবেদক
১২ জুলাই ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১২ জুলাই ২০১৯ ০০:১১
advertisement

মানবাধিকার সংস্থা ‘আইন ও সালিশকেন্দ্রের (আসক) নির্বাহী পরিচালক শীপা হাফিজা বলেছেন, এখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির যুগ চলছে। প্রযুক্তি সুবিধা নিয়ে অনেক দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। অর্থনৈতিকভাবে আমরাও এগিয়ে যাচ্ছি। কিন্তু প্রযুক্তির অপব্যবহার বা সাইবার ক্রাইম আমাদের জন্য অভিশাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সমাজের একটি কলুষিত শ্রেণি পর্নোগ্রাফিসহ সাইবার ক্রাইমে জড়িয়ে পড়ছে। এটা সামাজিক অপরাধের একটা অন্যতম কারণ। তরুণদের মধ্যে একটা প্রবণতা জন্মেছে যে অপরাধ করলেও কিছু হয় না। তাই দ্রুত বিচারের মাধ্যমে অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। এতে অপরাধ প্রবণতা কমে আসবে। গতকাল আমাদের সময়কে তিনি এসব কথা বলেন।

শীপা হাফিজা বলেন, এখন সাধারণ মানুষের মাঝে কিছুটা হলেও সচেতনতাবোধ এসেছে। স্কুলে শিক্ষকের হাতে ছাত্রী যৌন নির্যাতনের শিকার হলে বাসায় গিয়ে পরিবারকে জানাচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেশের যে কোনো প্রান্তের অপরাধ কর্মকা- মুহূর্তে সারাদেশে তোলপাড় সৃষ্টি করছে। গণমাধ্যমগুলো সামাজিক ব্যাধির বিষয়ে সোচ্চার। এ কারণে এখন নৃংশস কোনো অপরাধ কর্মকা- ঘটলে আর গোপন থাকছে না।

শীপা হাফিজা আরও বলেন, অপরাধ বা নৃংশসতা বাড়ছে কী কমছে, সেটা বিষয় নয়। প্রতিটি ঘটনারই উপযুক্ত তদন্তের পর বিচার হওয়া উচিত। দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হলে অপরাধ করতে কেউ সাহস পাবে না।

তিনি বলেন, কোনো স্বাধীন রাষ্ট্রে খুন, ধর্ষণ, নারীদের ইভটিজিং, নির্যাতন দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে না। কিন্তু বাংলাদেশে আমরা এর উল্টোটা দেখছি। বিচারব্যবস্থার দীর্ঘসূত্রতার কারণে ভুক্তভোগী এক সময়ে বিচারের দাবি থেকেই সরে আসছে। বাংলাদেশকে একটি প্রকৃত মানবিক রাষ্ট্র হতে এসব অবস্থা দূর করতে হবে।

advertisement