advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

পুঁজিবাজারে সূচকের পতন অব্যাহত

নিজস্ব প্রতিবেদক
১২ জুলাই ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১২ জুলাই ২০১৯ ০০:১১
advertisement

অব্যাহত রয়েছে পুঁজিবাজারের সূচকের পতন। টানা ৫ কার্যদিবসে ধারাবাহিক পতনে গতকাল পর্যন্ত দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স কমেছে ১৫৮ দশমিক ৪৯ পয়েন্ট। এদিকে শুধু বৃহস্পতিবারই ডিএসইএক্স কমেছে ৮ দশমিক ৩২ পয়েন্ট। এদিন ডিএসইতে ৩৫১ কোটি ৮ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। অন্যদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সাধারণ মূল্যসূচক কমেছে ২৯ দশমিক ৮৩ পয়েন্ট। এদিন সিএসইতে ১২ কোটি ২১ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে।

অন্যদিকে টানা দরপতনে বিক্ষোভ করেছে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীরা। গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সামনে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা বিক্ষোভ করে। বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদের ব্যানারে বিক্ষোভ থেকে বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যানের পদত্যাগের দাবি জানান।

বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদের সভাপতি মিজান উর রশিদ চৌধুরী বলেন, বিএসইসির এই চেয়ারম্যানকে দায়িত্বে রেখে শেয়ারবাজার ভালো করা যাবে না। আমরা তার পদত্যাগ চাই। তিনি বলেন, দরপতনের প্রতিবাদে আমরা রোজার ঈদের আগেও মানববন্ধন এবং বিক্ষোভ করেছি। প্রতীকী গণঅশন করছি। শেয়ারবাজারের জন্য বেশ কিছু সুপারিশ তুলে ধরা হয়েছে। কিন্তু পতন ঠেকাতে কেউ কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না। আমাদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে। আমাদের দাবিগুলো বাস্তবায়ন করতে হবে, না হলে লাগাতার কঠোর আন্দোলন করতে বাধ্য হব। ডিএসইর বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়,

বৃহস্পতিবার ডিএসইতে লেনদেন হওয়া

৩৫৩টি কোম্পানির মধ্যে দর বেড়েছে ১০৮টির, কমেছে ২১৯টির এবং দর অপরিবর্তিত ছিল ২৬টি প্রতিষ্ঠানের। এ সময় ডিএসইতে ১৩ কোটি ৬৩ লাখ ৬৫ হাজার ১৫৬টি শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে।

এ সময় ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ৮ দশমিক ৩২ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ২২২ পয়েন্টে। অপরদিকে শরিয়াহ সূচক ৩ দশমিক ৬৬ পয়েন্ট ও ডিএস-৩০ সূচক ৩ দশমিক ১৯ পয়েন্ট কমে যথাক্রমে ১ হাজার ১৯৪ ও ১ হাজার ৮৫৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। এদিন ডিএসইতে ৩৫১ কোটি ৮ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৪০৮ কোটি ৮৮ লাখ টাকার।

দিনশেষে ডিএসইতে টার্নওভার তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স। এদিন কোম্পানিটির ১৮ কোটি ৮৯ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। লেনদেনে দ্বিতীয় স্থানে ছিল ফেডারেল ইন্স্যুরেন্স, কোম্পানিটির ১০ কোটি ৬৪ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে এবং ৮ কোটি ৮০ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনের মাধ্যমে তৃতীয় স্থানে উঠে আসে গ্রামীণফোন। ডিএসইর টার্নওভার তালিকায় থাকা অন্য কোম্পানিগুলো হলো রূপালি ইন্স্যুরেন্স, মুন্নু সিরামিক, ইউনাইটেড পাওয়ার, রানার অটোমোবাইলস, সিনো বাংলা ইন্ডাস্ট্রিজ ও ন্যাশনাল টিউবস।

অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সাধারণ সূচক সিএসসিএক্স এদিন ২৯ দশমিক ৮৩ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ৯ হাজার ৬৯৮ পয়েন্টে। এদিন সিএসইতে হাতবদল হওয়া ২৬৩টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শেয়ার দর বেড়েছে ৬৪টির, কমেছে ১৭৫টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে ২৪টির দর।

advertisement