advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

চট্টগ্রামে এবার সর্বোচ্চ ১০৮৬ জনের চাকরি

হামিদ উল্লাহ, চট্টগ্রাম
১২ জুলাই ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১২ জুলাই ২০১৯ ০০:১১
advertisement

চট্টগ্রামে এবার সর্বোচ্চ এক হাজার ৮৬ জন পুলিশের কনস্টেবল হিসেবে চাকরি পেয়েছেন। এর মধ্যে ৯২৮ জন পুরুষ, আর ১৫৮ জন নারী। চাকরি পেতে তাদের প্রত্যেকের খরচ হয়েছে ১০৩ টাকা। এর মধ্যে ট্রেজারি চালানের জন্য ১০০ টাকা এবং আবেদন ফরম কিনতে ৩ টাকা খরচ হয়। সরকারি চাকরি পেতে নানা পর্যায়ে ঘুষ-দুর্নীতি অনেকটা খোলামেলা ব্যাপার হলেও জেলা পুলিশের এই উদ্যোগে সবাই রীতিমতো বিস্মিত হয়েছেন।

জেলা পুলিশ সূত্র জানায়, প্রাথমিকভাবে মনোনীতদের মধ্যে ৩০১ জন কৃষকের সন্তান, ১১২ গার্মেন্টসকর্মী, রাজমিস্ত্রি, কাঠমিস্ত্রি, জেলে,

কামার, হকার, শ্রমিক, প্রহরীর সন্তান, ১৬৭ জন পিতৃহীন ও অসুস্থ পিতার সন্তান, ৫৬ জন রিকশা, সিএনজি ও ভ্যানচালকের সন্তান, ১৫৯ জন দোকানদার ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর সন্তান, ১০৩ জন প্রবাসী শ্রমিকের সন্তান, ১০৭ জন সরকারি-বেসরকারি চাকরিজীবীর সন্তান, শিক্ষকের সন্তান ১৯ জন, চাকরিরত ও অবসরপ্রাপ্ত পুলিশের সন্তান ৩৩ জন, মেকানিক, গ্যারেজ কর্মী, দর্জি, নরসুন্দর ও দোকানকর্মীর সন্তান ৩০ জন, পল্লী চিকিৎসকের সন্তান ৭ জন ও গ্রামপুলিশের সন্তান ২ জন।

জানতে চাইলে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার নুরে আলম মিনা আমাদের সময়কে বলেন, সম্পূর্ণ মেধা ও যোগ্যতার মানদ-ে দুর্নীতিমুক্ত ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আমরা পুলিশের কনস্টেবল নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পেরেছি। আমরা এ ব্যাপারে শুরু থেকেই সজাগ ছিলাম। আবেদনকারীদের বিভিন্ন পর্যায়ে সচেতন করেছি, শপথ করিয়েছি। দালাল ও প্রতারকের চক্র থেকে সাবধান করে মাইকিং করেছি। এতে ভালো কাজ হয়েছে। আমার বিশ্বাস, আবেদনকারীদেরও আস্থা ছিল আমাদের ওপর। আমরা সেই আস্থার প্রতিদান দিয়েছি।

জানা যায়, গত ১ জুলাই অনুষ্ঠিত শারীরিক মাপ ও শারীরিক পরীক্ষায় রেকর্ডসংখ্যক ৭ হাজার ৫১৪ প্রার্থী অংশগ্রহণ করেন। শারীরিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ২ হাজার ৪২২ প্রার্থী ২ জুলাই লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেন। ৬ জুলাই অনুষ্ঠিত মৌখিক পরীক্ষা শেষে ৭ জুলাই ১ হাজার ৮৬ জনকে প্রাথমিকভাবে চাকরির জন্য মনোনীত করা হয়।

জানা গেছে, এত সতর্কতা ও প্রচার সত্ত্বেও দালালচক্র ছিল সক্রিয়। কনস্টেবল পদে নিয়োগ পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভনে অনৈতিকভাবে অর্থ লেনদেনের অভিযোগে পুলিশ পরিচয় দেওয়া দুজনকে নিয়োগ পরীক্ষার আগেই পুলিশ গ্রেপ্তার করে।