advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

কর্নাটক সরকারে সংকট গড়াচ্ছে অনাস্থা ভোটে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
১২ জুলাই ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১২ জুলাই ২০১৯ ০০:১২
advertisement

ভারতের কর্নাটক সরকারে কয়েক দিন থেকে যে টানাপড়েন শুরু হয়েছে গতকালও তা জিইয়ে ছিল। ১৩ মাসের কংগ্রেস-জেডিএস জোট সরকার টিকবে কি টিকবে না গতকাল পর্যন্ত তা স্পষ্ট হয়নি। কংগ্রেস ও জেডিএসের যেসব বিধায়ক পদত্যাগপত্র দিয়েছেন তাদের মধ্যে দশজন গতকাল বিকালে রাজ্যের স্পিকারের সঙ্গে দেখা করেন। গতকালও তারা পদত্যাগপত্র নিয়ে গিয়েছেন কিন্তু গৃহীত হয়েছে কিনা তা স্পিকার স্পষ্ট করে বলেন নাই। শুধু বলেছেন এটি ‘নির্ভর করছে...’। এদিকে রাজ্যের মন্ত্রিসভা বলছে, তারা অনাস্থা ভোটের জন্য প্রস্তুত। গতকাল তারা এটাও জোর দিয়ে বলেছেন যে, অনাস্থা ভোট হলে সরকার টিকে যাবে। টাইমস অব ইন্ডিয়া।

রাজ্যের সংকটের শুরু গত শনিবার। ওইদিন কংগ্রেস ও জেডিএসের ১৩ জন বিধায়ক স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র দেন। কিন্তু সেই পদত্যাগপত্র ওইদিন গৃহীত হয়নি। সে সময় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এইচডি কুমারাস্বামী ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রে। সরকারের অভ্যন্তরে হঠাৎ এই সংকটে একদিনের মাথায় দেশে ফেরেন তিনি। এর পরই সরকার টেকাতে শেষ বিন্দু দিয়ে লড়ছেন তিনি। কংগ্রেস ও জেডিএস অভিযোগ করেছে বিজেপি এ সংকটের মূলে কাজ করছে। রাজ্যের বিজেপি সভাপতি বিএস ইয়েদুরাপ্পা নাটের গুরু হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন। বলা হচ্ছে, বিজেপি কয়েকজন বিধায়ককে চাপ দিয়ে পদত্যাগে বাধ্য করেছে। এ কথা গতকাল স্পিকার কেআর রমেশ কুমারও বলেছেন। পদত্যাগী বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের রমেশ কুমার বলেন, বিধায়করা বলছেন কিছু লোকের হুমকির মুখে তারা মুম্বাই গিয়েছিল। কিন্তু আমি তাদের বললাম তাদের উচিত হবে আমাকে সবকিছু খুলে বলা। তা হলে আমি তাদের নিরাপত্তা দেব।

স্পিকার বলেন, তাদের অভিযোগ লিখিত আকারে দেওয়া হোক। আদালত আমাকে বলেছেন সিদ্ধান্ত নিতে। কিন্তু এ পদত্যাগপত্রগুলো আমার নিরীক্ষা করতে হবে যে তারা আসলেই পদত্যাগ করতে চাইছে নাকি চাপের মুখে এসব বলছে। এদিকে পদত্যাগী বিধায়কের সংখ্যা ১৩ থেকে বেড়ে গিয়ে দাঁড়িয়েছে ১৬ জনে। এসব পদত্যাগপত্র গৃহীত হলে কর্নাটকে জোট সরকারের পতন হবে। এদিকে শুধু কর্নাটকেই গোয়াতেও কংগ্রেস বিধায়করা বিজেপিতে যোগ দিচ্ছে। গত বুধবার ১৫ কংগ্রেস বিধায়কের মধ্যে ১০ জনই বিজেপিতে যোগ দিয়েছে।

advertisement