advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

প্রেস বক্স থেকে

মাইদুল আলম বাবু, এজবাস্টন থেকে
১২ জুলাই ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১২ জুলাই ২০১৯ ০০:১৩
advertisement

রোদে মাখা সকাল

বৃষ্টির হুমকি ছিল। তাই সকালটা কেমন হয় সেটার জন্য অপেক্ষা ছিল। ঘুম থেকে উঠে দেখি চমৎকার রোদ উঠেছে। যাক হাঁপ ছেড়ে বাঁচা গেল। ম্যানচেস্টারে তো ভয়াবহ স্মৃতি ছিল। গতকাল মেঘের আনাগোনা ছিল। তবে সঠিক সময়ে খেলা শুরু হয়েছে। বিকালে বৃষ্টির একটা আশঙ্কা ছিলই।

প্রথম বলেই আর্চার

এই বিশ্বকাপে সবচেয়ে রোমাঞ্চকর তরুণ ফাস্ট বোলার জোফরা আর্চার। কাল অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ ছিল। অ্যারন ফিঞ্চ সবচেয়ে ভয়ঙ্কর ব্যাটসম্যান। প্রথমেই আর্চারের গুড লেংথ বল সামলাতে পারেননি ফিঞ্চ। একটু স্কিডও করেছে বল। লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়ে বিদায় নেন ফিঞ্চ।

ভয় পাইয়ে দিলেন ক্যারি

আর্চারের একটি দুর্দান্ত বাউন্সার এড়াতে পারলেন না অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটসম্যান ক্যারি। হেলমেটে লেগে গেল বলটি। এত গতির বলে হেলমেট খুলে গেছে। সামনের দিক থেকে লেগেছে। গ্রিলে লাগায় সমস্যা হয়নি। তবে ক্যারি স্বাভাবিকভাবে ভয় পেয়ে যান। ১৪৫ কিলোমিটারে ধেয়ে আসা বল, জীবনঘাতী তো হতেই পারে।

বার্মি-আর্মিদের কোরাস

যে কোনো দলের খেলোয়াড়রাও সমীহ করেন ইংল্যান্ডের সমর্থকগোষ্ঠী বার্মি-আর্মিদের। গতকাল তাল-সুর-লয়হীন কণ্ঠে গেয়ে যাচ্ছেন ইংল্যান্ডের জয়গান। একটু সুমধুর হলে ভালোই হতো। অমন ঝাঁজালো কণ্ঠ আর তারস্বরে চিৎকারে ধরণী কেঁপে উঠছিল। এই সমর্থন অ্যাশেজ সিরিজে ভালোই দেখা যাবে।

ভারত-পাকিস্তানের সমর্থকদের পছন্দ ছিল ইংল্যান্ড

বার্মিংহামে ভারত ও পাকিস্তানের মানুষের পাশাপাশি বাংলাদেশের মানুষও প্রচুর বাস করেন। ভারত-পাকিস্তান-বাংলাদেশ তো আর নেই। তাই সবাই কাল ইংল্যান্ডকে সমর্থন দিয়েছেন। যদিও যার যার দেশের পতাকা এনেছেন। ইংল্যান্ডের রান ও উইকেট প্রাপ্তির পর উদযাপন করেছেন তারা।

advertisement