advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

২১০০ সালে শীর্ষ জনবহুল দেশের তালিকায় থাকবে না বাংলাদেশ

১২ জুলাই ২০১৯ ০০:৫৮
আপডেট: ১২ জুলাই ২০১৯ ০০:৫৮
advertisement

২১০০ সালের দিকে বিশ্বের শীর্ষ ১০ জনবহুল দেশের তালিকায় থাকবে না বাংলাদেশ। জাতিসংঘের তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনা করে এমনটাই মনে করছে ওয়াশিংটনের পিউ রিসার্চ সেন্টার। বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই শতাব্দীর শেষ দিকে বাংলাদেশ, ব্রাজিল, রাশিয়া ও মেক্সিকো বিশ্বের শীর্ষ দশটি জনবহুল দেশের তালিকায় থাকবে না। বরং এই চার দেশের জায়গা নেবে আফ্রিকার কঙ্গো, ইথিওপিয়া, তাঞ্জানিয়া ও মিসর। খবর বাংলা ট্রিবিউনের।
প্রতিবেদন অনুসারে, আগামী আট
দশকে মেক্সিকোতে ১০ শতাংশ জনসংখ্যা বাড়তে পারে। একই সময়ে ব্রাজিলে ১৫ শতাংশ, বাংলাদেশে ৮ শতাংশ এবং রাশিয়ায় ১৪ শতাংশ জনসংখ্যা কমবে। কিন্তু এরই মধ্যে আফ্রিকার দেশগুলোতে দ্বিগুণের বেশি জনসংখ্যা বাড়তে পারে। বিশেষ করে কঙ্গোতে ৩০৪ শতাংশ, ইথিওপিয়াতে ১৫৬ শতাংশ, তাঞ্জানিয়াতে ৩৭৮ শতাংশ এবং মিসরে ১২০ শতাংশ জনসংখ্যা বেড়ে যেতে পারে।
পিউ রিসার্চ সেন্টারের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২১০০ সালের দিকে জনবহুল দশটি দেশের মধ্যে আটটি আফ্রিকার হতে পারে। তালিকায় আফ্রিকার বাইরে থাকা দুটি দেশ হতে পারে পাকিস্তান ও যুক্তরাষ্ট্র। এই দুটি দেশের জনসংখ্যা বাড়তে পারে যথাক্রমে ১৮২ মিলিয়ন ও ১০৩ মিলিয়ন। এ ছাড়া ২১০০ সালের মধ্যে যে দশটি দেশের জনসংখ্যা সবচেয়ে বেশি কমবে সেগুলোর একটিও আফ্রিকার না। এই দেশগুলো এশিয়া ও ইউরোপের। সবচেয়ে বেশি জনসংখ্যা কমতে পারে চীনে। ২১০০ সালের মধ্যে বর্তমানের তুলনায় চীনের জনসংখ্যা ৩৭৪ মিলিয়ন কমতে পারে। আর ২০২৭ সালের দিকে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি জনসংখ্যার দেশ হিসেবে চীনকে সরিয়ে জায়গা নিতে পারে ভারত।
সম্প্রতি প্রকাশিত জাতিসংঘের তথ্য অনুসারে, এই শতাব্দীর শেষ দিকে কার্যত বিশ্বের জনসংখ্যা বৃদ্ধি কমে আসতে পারে বিশ্বের বেশিরভাগ অঞ্চলে। সন্তান জন্মদানের হার কমে যাওয়ার ফলে জনসংখ্যায় এই পরিবর্তন আসতে পারে। সব মিলিয়ে ২১০০ সালের দিকে বিশ্বের জনসংখ্যা হতে পারে ১০.৯ বিলিয়ন। বার্ষিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির পরিমাণ দাঁড়াবে ০.১ শতাংশ, যা বর্তমানের চেয়ে কম।

advertisement