advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

ধর্ষণের বিরুদ্ধে কঠোর আইন হবে : প্রধানমন্ত্রী

১২ জুলাই ২০১৯ ০১:৪৩
আপডেট: ১২ জুলাই ২০১৯ ০১:৪৪
advertisement

প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা শেখ হাসিনাও ধর্ষণের বিরুদ্ধে কঠোর আইন প্রণয়ন করে অপরাধীদের শাস্তি প্রদানের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘আমাদের আইন আরও কঠোর করা দরকার, আরও কঠোরভাবে তাদের (এ অপরাধীদের) শাস্তি দেওয়া দরকার। কারণ এ ধরনের জঘন্য কার্যকলাপ কখনো মেনে নেওয়া যায় না।’
এ ব্যাপারে তার সরকার যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করবে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। গতকাল বৃহস্পতিবার একাদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় (বাজেট) অধিবেশনের সমাপনী ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের কিছু সামাজিক অপরাধের প্রবণতা বেড়ে গেছে। শিশুদের ওপর পাশবিক অত্যাচার অথবা মানুষ খুন করা, ছোট শিশুদের খুন করাÑ যখন ঘটনা ঘটে এবং এর পর পত্রিকায় সংবাদ হয়। তার পর যেন এর হারটা বেড়ে যায়।’ তিনি ইলেকট্রনিক মিডিয়া বা চ্যানেলগুলোর উদ্দেশে ধর্ষকদের চেহারাটা বার বার তুলে ধরার আহ্বান জানান, যাতে তাদের লজ্জা হয়। একইসঙ্গে এসব সামাজিক অপরাধের বিরুদ্ধে পুরুষদেরও নারীদের পাশাপাশি প্রতিবাদ-প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা শুধু মেয়েরাই এর প্রতিবাদ করব কেন? এখানে পুরুষদের জন্য লজ্জার বিষয় যে, তারা এই অপরাধটা করে যাচ্ছে। সেজন্য আমাদের পুরুষদেরও আরও সোচ্চার হতে হবে বলে আমি মনে করি।’
বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় এ বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকার পাশাপাশি বাসা-বাড়ির চারপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার আহ্বান জানান। প্রধানমন্ত্রী ডেঙ্গুর জন্য দায়ী এডিস মশাকে ‘অ্যারিস্টোক্রাট’ মশা আখ্যায়িত করে কৌতুক ছলে বলেন, এরা বড়িতে থাকে না, ময়লা জায়গায় থাকে না, তারা ভদ্র জায়গা খোঁজেÑ এখানেই সমস্যা; ওষুধ দিলেও যায় না। তাই মশারি টাঙিয়ে থাকার সঙ্গে সঙ্গে সবাইকে বাড়িঘর এবং আশপাশ পরিষ্কার রাখতে হবে। পাশাপাশি যেসব জায়গায় পানি জমে থাকে, ফুলের টব, এয়ার কন্ডিশনের পানি যেন জমতে না পারে সেদিকেও লক্ষ রাখতে হবে। কারণ এই মশা পরিষ্কার জায়গায় ডিম দেয় ও বংশবৃদ্ধি করে।
সরকার বিরাট ভর্তুকি দিয়ে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যারা আন্দোলন করছেন তারা প্রকৃত অবস্থা চিন্তা করছেন নাÑ এটা দুঃখজনক। গ্যাসের আমদানিখরচ যেটা, সেটা তো বিবেচনায় নিতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ২০২০ সালে জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী, ২০২১ সালে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী আমরা পালন করব ভিক্ষুকমুক্ত, ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত দেশ হিসেবে। ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ হবে দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে উন্নত ও সমৃদ্ধিশালী দেশ। খবর বাসসের।