advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

১০০ ঘরবাড়ি যমুনায় বিলীন, পানিবন্দী ১০ হাজার

নিজস্ব প্রতিবেদক,বগুড়া
১২ জুলাই ২০১৯ ২০:৩৫ | আপডেট: ১৩ জুলাই ২০১৯ ০১:৩০
বগুড়ার সোনাতলার পাকুল্লা ইউনিয়নের চরাঞ্চল ডুবে যাওয়ায় নৌকায় যাতায়াত করছেন এলাকাবাসী। ছবিটি আজ শুক্রবার বিকেলে খাটিয়ামী এলাকা থেকে তুলেছেন প্রদীপ মোহন্ত
advertisement

কয়েক দিনের অবিরাম বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে বগুড়ার সোনাতলা উপজেলায় যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। সেই সঙ্গে বেড়েছে ভাঙনও। গত দুই দিনে উপজেলার তেকানীচুকাইনগর ইউনিয়নের খাবুলিয়া, জন্তিয়ারপাড়া, মহব্বতেরপাড়া ও ভিকনেরপাড়াসহ চারটি চরে নদী ভাঙনে প্রায় ১০০ ঘরবাড়ি যমুনা নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। এ জন্য গতকাল শুক্রবার আরও প্রায় দেড় শতাধিক ঘরবাড়ি অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

খাবুলিয়া এলাকার আবদুল হাই মাস্টার জানান, গত দুই দিনে প্রায় শতাধিক ঘরবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। সেই সঙ্গে মূল্যবান গাছপালা, ফসলি জমি গিলে ফেলেছে যমুনা। 

তেকানীচুকাইনগর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান শামছুল হক জানান, তার দপ্তরের পরিসংখ্যান মোতাবেক দুই দিনে প্রায় ৬৫টি ঘরবাড়ি যমুনা গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।

অপরদিকে যমুনায় পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় সোনাতলার পাকুল্লা ইউনিয়নের মির্জাপুর, রাধাকান্তপুর, বালুয়াপাড়া, পূর্বসুজাইতপুর ও খাটিয়ামারী চর এলাকার প্রায় ১০ হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। দুই ইউনিয়নে এখন পর্যন্ত বানভাসী লোকজন সরকারিভাবে কোনো ত্রাণ সামগ্রী পায়নি বলে ভুক্তভোগীরা জানান।

সোনাতলা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) জিয়াউর রহমান জানান, চলতি বছর বন্যার পর এখনো কোনো ত্রাণ সামগ্রী আসেনি।