advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

জাতিসংঘে বাংলাদেশের নতুন দৃষ্টান্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৩ জুলাই ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১২ জুলাই ২০১৯ ২৩:৪৬
advertisement

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে শান্তিরক্ষী সরবরাহকারী দেশগুলোর সামরিক বাহিনীপ্রধানদের স্বাগত জানাতে এক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। বুধবার জাতিসংঘ সদর দপ্তরে এ কার্যক্রমে সামনের সারির দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে আয়োজক হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। মর্যাদাপূর্ণ এ অনুষ্ঠান আয়োজন করে জাতিসংঘে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করল বাংলাদেশ।

গতকাল ঢাকায় আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে

এ তথ্য জানায়। কালজয়ী বাংলা গান ও বাঙালি খাবারে অতিথিদের আপ্যায়নের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটিতে আবহমান বাংলাদেশের সংস্কৃতি তুলে ধরা হয়। এ ছাড়া একই দিন জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে ‘জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে ত্রিপক্ষীয় সহযোগিতা শক্তিশালীকরণ’ শীর্ষক এক আলোচনা অনুষ্ঠানে বিশেষ আমন্ত্রণে বক্তব্য রাখেন জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন।

সামরিক বাহিনী প্রধানদের সম্মেলনে রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার লেফটেন্যান্ট জেনারেল ড. মাহফুজুর রহমান, জাতিসংঘের পিস অপারেশন বিভাগের প্রধান আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল জ্যঁ পিয়েরে ল্যাক্রুয়া, জাতিসংঘের অপারেশনাল সাপোর্ট বিভাগের প্রধান আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল অতুল খারে এবং জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমের মিলিটারি অ্যাডভাইজর লেফটেন্যান্ট জেনারেল কার্লোস হামবার্টো লয়টে বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন বাংলাদেশকে সম্মানজনক এ অনুষ্ঠান আয়োজনের সুযোগ দেওয়ায় জাতিসংঘকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে জাতিসংঘের ব্লু হেলমেটের অধীনে বৈশ্বিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় সুনিপুণভাবে বাংলাদেশ দায়িত্ব পালন ও তাৎপর্যপূর্ণ অবদান রেখে চলছে। পাশাপাশি ধারাবাহিকভাবে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশ সক্ষমতা বৃদ্ধি করেছে।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আসা সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনী মিলিয়ে ৬৪ জন সামরিক প্রধান এ অনুষ্ঠানে যোগ দেন। এ ছাড়া সদস্যদেশগুলোর উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তা, স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত এবং জাতিসংঘের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাসহ প্রায় চারশ অতিথি অংশগ্রহণ করেন। অন্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মিশনের মিলিটারি অ্যাডভাইজার ব্রিগেডিয়ার খান ফিরোজ আহমেদ ও বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল নিউইয়র্কের কনসাল জেনারেল সাদিয়া ফয়জুন্নেছা।

advertisement