advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

অংশীদারত্ব সম্পর্ক স্থাপনে করণীয় গুরুত্ব পাবে

আরিফুজ্জামান মামুন
১৭ জুলাই ২০১৯ ০১:৫৬ | আপডেট: ১৭ জুলাই ২০১৯ ১১:৫২
advertisement

ইউরোপের বিভিন্ন দেশে কর্মরত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতদের নিয়ে লন্ডনে হতে যাচ্ছে দূত সম্মেলন। আগামী শনিবার অনুষ্ঠেয় এই সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রধান অতিথি হিসেবে রাষ্ট্রদূতদের নির্দেশনা দেবেন। ইউরোপে কর্মরত রাষ্ট্রদূত-হাইকমিশনারদের নিয়ে এমন আয়োজন এই প্রথম।
এই সম্মেলনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রীর আগামী শুক্রবার লন্ডন যাওয়ার কথা রয়েছে। এ ছাড়াও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন, প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, সিনিয়য় সচিব মো. শহীদুল হকসহ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশ নেবেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন (ইইউ) থেকে যুক্তরাজ্যের বেরিয়ে যাওয়া বা ব্রেক্সিট কার্যকর হওয়াসহ পরিবর্তিত বিশ্বপরিস্থিতিতে ইউরোপের সঙ্গে বাংলাদেশের

সামগ্রিক সম্পর্ক উন্নয়নে রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনারদের করণীয় বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী দিকনির্দেশনা দেবেন। সরকারের অগ্রাধিকার ও আগামীর চ্যালেঞ্জ নিয়েও কথা বলবেন তিনি। সূত্র জানায়, ইউরোপের সঙ্গে সহায়তার (এইড) পরিবর্তে অংশীদারত্বমূলক সম্পর্ক চেয়েছে বাংলাদেশ। এটি কীভাবে বাড়ানো যায়, তা নিয়ে ওই মহাদেশে কর্মরত রাষ্ট্রদূতদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী আলোচনা করবেন। অর্থনৈতিক কূটনীতির অংশ হিসেবে কীভাবে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি করা যায়, সে বিষয়েও নির্দেশনা থাকবে।
সূত্র জানায়, দূত সম্মেলনে ইউরোপের দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক বাড়ানোর বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীকে নিজেদের পরিকল্পনা জানাবেন রাষ্ট্রদূতরা। এ জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে ইউরোপে চ্যালেঞ্জ, সুযোগ ও অগ্রাধিকার নিয়ে প্রেজেন্টেশন তৈরি করতে রাষ্ট্রদূতদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রত্যেক রাষ্ট্রদূত পাঁচ মিনিট করে প্রেজেন্টেশন দেবেন। পরে প্রশ্নোত্তর পর্ব থাকবে। সরকার স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী জাঁকজমকভাবে উদযাপন করতে চায়। রাষ্ট্রদূতরা এ বিষয়ে তাদের পরিকল্পনার কথা সরকারপ্রধানকে অবহিত করবেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকতা বলেন, স্বল্পোন্নত থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হওয়ার পর বাংলাদেশের অর্থনৈতিক কূটনীতি কী হবে, বাণিজ্য ও অভিবাসননীতি কী ধরনের হবে সে বিষয়ে আলোচনা হবে।
দূত সম্মেলনে যোগ দেওয়ার পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী লন্ডনে চোখের ফলোআপ চিকিৎসা করাবেন বলে জানা গেছে। গত মে মাসে তিনি লন্ডনের একটি হাসপাতালে চোখের চিকিৎসা নিয়েছিলেন।

advertisement