advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

পিয়াসই রিমাকে বাড়ি থেকে নিয়ে যায়

কিশোরগঞ্জ ও পাকুন্দিয়া প্রতিনিধি
২২ জুলাই ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ২২ জুলাই ২০১৯ ০০:৩১
advertisement

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় স্কুলছাত্রী স্মৃতি আক্তার রিমাকে (১৪) গণধর্ষণের পর হত্যা মামলার অন্যতম আসামি পিয়াস মিয়াকে (১৮) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। চট্টগ্রামের পশ্চিম মাদারবাড়ি এলাকা থেকে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) শনিবার গভীর রাতে তাকে গ্রেপ্তার করে। র‌্যাব বলছে, পিয়াস রিমা ধর্ষণ-হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী। সে সুকৌশলে স্কুলছাত্রীকে নানার বাড়ি থেকে ডেকে মাঠে নিয়ে প্রথমে নিজে ধর্ষণ করে।

এর পর তার বন্ধুদের নিয়ে ধর্ষণ করে। সে পাকুন্দিয়ার চরফরাদী গ্রামের রুবেল মিয়ার ছেলে।

র‌্যাব-১৪ কিশোরগঞ্জ ক্যাম্প থেকে রবিবার দুপুরে পাঠানো প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, রিমা জেলার হোসেনপুর উপজেলার জামাইল গ্রামের মৃত আবুল হোসেনের মেয়ে। সে হোসেনপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। গত ১৭ জুলাই রাতে পার্শ্ববর্তী পাকুন্দিয়ার গাংধোয়ারচর গ্রামে নানার বাড়ি বেড়াতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার হয় সে। এ ঘটনার পর পরই র‌্যাবের একটি দল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ছায়া তদন্ত শুরু করে। এ সংক্রান্ত তথ্য-উপাত্তের মাধ্যমে ঘটনায় জড়িত আসামিদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালায়। র‌্যাব-১৪ কিশোরগঞ্জ

ক্যাম্পের কোম্পানি অধিনায়ক লে. কমান্ডার বিএনএম শোভন খানের নেতৃত্বে একটি দল শনিবার রাতভর অভিযান চালায়। মূল পরিকল্পনাকারী ও ধর্ষণের সঙ্গে সরাসরি জড়িত এজাহারনামীয় ২নং আসামি পিয়াস মিয়াকে রাত ২টার দিকে চট্টগ্রামের পশ্চিম মাদারবাড়ি এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় র‌্যাবের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পিয়াস ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। জিজ্ঞাসাবাদে সে আরও জানায়, ঘটনার রাতে সে সুকৌশলে স্কুলছাত্রীকে বাড়ি থেকে ডেকে প্রথমে নিজে ধর্ষণ করে। এর পর তার বন্ধুদের নিয়ে ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের ধরতে র‌্যাবের অভিযান চলমান রয়েছে বলেও কোম্পানি অধিনায়ক জানান।

গত ১৮ জুলাই বেলা ১১টার দিকে পাকুন্দিয়ায় নানার বাড়ির পাশে পুকুরপারের একটি বড়ইগাছের ডালে ঝুলন্ত অবস্থায় স্কুলছাত্রী স্মৃতি আক্তার রিমার লাশ উদ্ধার করে থানাপুলিশ। এ ঘটনায় পর দিন রাতে নিহতের মা আঙ্গুরা খাতুন বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে পাকুন্দিয়া থানায় মামলা করেন। মামলায় পাকুন্দিয়ার চরফরাদী গ্রামের খুরশিদ মিয়ার ছেলে জাহিদ মিয়া, রুবেল মিয়ার ছেলে পিয়াস মিয়া, ফারুক মিয়ার ছেলে রুমান মিয়া ও কফুল উদ্দিনের ছেলে রাজু মিয়াসহ অজ্ঞাত আরও ৫-৬ জনকে আসামি করা হয়েছে।

advertisement