advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

ব্রিটেনের নতুন প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
২৩ জুলাই ২০১৯ ১৭:১৪ | আপডেট: ২৪ জুলাই ২০১৯ ০১:৫৪
advertisement

ব্রিটেনের নতুন প্রধানমন্ত্রী হলেন দেশটির সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী বরিস জনসন। বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেরেমি হান্টকে বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হলেন তিনি। আগামীকাল বুধবারই ক্ষমতা গ্রহণের কথা রয়েছে নতুন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর। 

কয়েক দফা ভোটের পর আজ মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় বিকেল পাঁচটায় ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। এই ভোটাভুটির মাধ্যমে ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ পার্টির সদস্যরা বেছে নিলেন তাদের নতুন দলপ্রধান এবং ব্রিটেনের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে।

ফলাফল ঘোষণার পর জনসন তার বক্তৃতায় বলেন, ‘আমি ব্রেক্সিট কার্যকর, দেশকে ঐক্যবদ্ধ এবং জেরেমি করবিনকে পরাজিতও করব।’

বক্তৃতার শুরুতে জনসন তার পূর্বসূরী থেরেসা মের প্রশংসাও করেন। তার মন্ত্রিসভায় দায়িত্ব পালন করাটা ‘বিশেষ কিছু’ ছিল বলেও জানান জনসন।

প্রায় এক লাখ ৬০ হাজার কনজারভেটিভ পার্টির সদস্য দলপ্রধান নির্বাচনের ভোটে অংশ নেয়। যা মোট ভোটারের প্রায় ৮৭ দশমিক ৪ শতাংশ। নির্বাচনে জনসন ৯২ হাজার ১৫৩ ভোট পান। তার প্রতিদ্বন্দ্বী জেরেমি হান্ট পেয়েছেন ৪৬ হাজার ৬৫৬ ভোট।

ব্রিটেনের নিয়ম অনুযায়ী ক্ষমতাসীন দলের দলপ্রধানই দেশটির প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।  

এর আগে ব্রেক্সিট বিতর্কের জেরে গত ৭ জুন আনুষ্ঠানিকভাবে কনজারভেটিভ পার্টির প্রধানের পদ থেকে সরে দাঁড়ান দেশটির প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে। ফলে প্রধানমন্ত্রী পদটিও শূন্য ছিল। দলের নতুন নেতা মনোনীত না হওয়ায় আজ পর্যন্ত মে তত্ত্বাবধায়ক প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

৪৬ বছর ধরে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য থাকার পর ২০১৬ সালের ২৩ জুন গণভোটের মাধ্যমে ইইউ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার অর্থাৎ ব্রেক্সিটের পক্ষে সিদ্ধান্ত জানায় ব্রিটেনের জনগণ। ব্রেক্ষিটের পক্ষে ৫২ শতাংশ ভোট পড়ে তখন। বিপক্ষে পড়ে ৪৮ শতাংশ। এরপর থেকেই ইইউ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সহজ কোনো চুক্তির সন্ধানে ছিল যুক্তরাজ্য।

এই চুক্তির জেরেই সাবেক প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরনের পর থেরেসা মেকেও পদত্যাগে বাধ্য হতে হয়। এবার তাদের উত্তরসূরি হিসেবে ক্ষমতায় এলেন বরিস জনসন।

নির্বাচনী প্রচারণায় জনসন কোনো চুক্তি ছাড়াই ব্রেক্সিট কার্যকরের কথা বলেছিলেন। কিন্তু এমন সিদ্ধান্ত নিলে সেটা আত্মঘাতী হবে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। এমনকি ব্রিটেনের বিচারবিষয়ক মন্ত্রী ডেভিড গাউকে ও বর্তমান অর্থমন্ত্রী ফিলিপ হ্যামন্ড বলেছিলেন জনসন ক্ষমতায় এলে তারা বুধবারই পদত্যাগ করবেন।

আগামীকাল বুধবারই ক্ষমতা গ্রহণের কথা রয়েছে নতুন প্রধানমন্ত্রী জনসনের। 

বিবিসির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, আগামীকাল বুধবার বিকেলে রাণীর সঙ্গে দেখা করে আনুষ্ঠানিক পদত্যাগপত্র দেবেন থেরেসা মে। এর পরপরই তার উত্তরসূরি হিসেবে জনসন আসীন হবেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীর পদে।

advertisement