advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

লেখাপড়ার মান বেড়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক
২৪ জুলাই ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ২৪ জুলাই ২০১৯ ০০:২১
advertisement

ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর নেহাল আহমেদ বলেছেন, সাত কলেজের কারণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় কোনো বিঘিœত হচ্ছে না। হবেও না। সাত কলেজের প্রশাসনিক কার্যক্রম সম্পূর্ণ পৃথকভাবে পরিচালিত হচ্ছে। রাজধানীর সাতটি কলেজ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত হওয়ার পর লেখাপড়ার মান অনেক বেড়েছে। গতকাল আমাদের সময়কে তিনি এ কথা বলেন।

প্রফেসর আহমেদ বলেন, কলেজগুলো অধিভুক্ত হওয়ায় ছাত্রদের লেখাপড়ায় আগ্রহ অনেক বেড়েছে। আমার কলেজের ছেলেরা আমার কাছে এসে বলে স্যার কমনরুমগুলো পড়ার রুম করে দিন। হোস্টেলের টিভি রুম পর্যন্ত পড়ার রুম হিসেবে ব্যবহার করছে। এটা ইতিবাচক দিক। আরেকটি বিষয় যেটা হয়েছেÑ যেসব শিক্ষার্থী জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ১ম বর্ষ, ২য় বর্ষের পরীক্ষা দিয়েছে, এখন তারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ৩য়-৪র্থ বর্ষের পরীক্ষা দিয়েছে। তাদের ফলের সমন্বয়ে একটা সংকট সৃষ্টি হয়েছিল। এখন তা নিরসনও হয়েছে। এখন ৭ কলেজ স্বাভাবিকভাবে এগোচ্ছে। এখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছেলেরা ভুল বুঝছে, সাত কলেজের কারণে তাদের লেখাপড়া বিঘিœত হচ্ছে। কিন্তু বাস্তবে এমনটা হওয়ার সুযোগ নেই। কারণ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাত কলেজের বিষয়গুলো দেখার জন্য আলাদা কলেজ প্রশাসন করে দিয়েছে। যেখানে আলাদা কর্মকর্তা-কর্মচারী রয়েছে।

ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ আরও বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত মেডিক্যাল কলেজ, গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজ, স্কুলসহ প্রায় ৮১টি ইনস্টিটিউট পরিচালিত হচ্ছে। কোথাও কোনো সমস্যা হচ্ছে না। এখানেও সমস্যা হওয়ার কথা নয়। আমাদের সাত কলেজে অনেক গরিব ঘরের ছেলেমেয়ে পড়ে। তাদেরও অধিকার আছে ভালো প্রতিষ্ঠানে লেখাপড়া করার। প্রধানমন্ত্রীর যে স্বপ্ন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর আসলে চাপ হয়ে গেছে সারাদেশে এতগুলো কলেজ নিয়ন্ত্রণ করা। এখন ৪৫টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় আছে সারাদেশে। এদের অধীনে যদি কলেজগুলো পরিচালিত হয়, পড়াশোনার মানটা একটু ভালো হবে। যেটা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। সাত কলেজের অধিভুক্তিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় কোনো বিঘœ হবে না। সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের সেশন বিলম্ব নিয়ে যে অভিযোগ, এটাও কেটে যাবে। শিগগির সব পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ করা হবে। ফল বিপর্যয় সম্পর্কে তিনি বলেন, অধিভুক্ত হওয়ার পর সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের ফল বিপর্যয়ের অভিযোগ সঠিক নয়, কারণ ফল খারাপ হয়েছে হয়তো দশ শতাংশ শিক্ষার্থীর। যারা লেখাপড়া করেনি তাদের ক্ষেত্রে। আরেকটি বিষয় ছিল টেকনিক্যাল, পরীক্ষা দিলেও অনুপস্থিত দেখানোয় এক বিষয়ে (বাংলা বিভাগের) সব শিক্ষার্থী ফেল করে। ওই সমস্যা চিহ্নিত করে সমাধান করা হয়েছে। কিছু ছেলে পড়াশোনা করে না, তারা ফেল করবে এটা বাস্তব। এখন দ্রুত ফল প্রকাশের জন্য পরীক্ষার দিনই উত্তরপত্র বণ্টন করে দেওয়া হয়। যেখানে আগে এসব উত্তরপর পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ বিভাগে নিয়ে পরে বিষয়ভিত্তিক শিক্ষকদের পাঠানো হতো। এতে অনেক সময় লেগে যেত। এখন পরীক্ষার হল থেকেই পূর্বনির্ধারিত শিক্ষকদের কাছে উত্তরপত্র দেওয়া হয়। ফলে তারাও দ্রুত মূল্যায়ন করে তা জমা দিতে পারেন, এতে ফল দ্রুত প্রকাশ করা যাচ্ছে।

advertisement