advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

চারদিকে শুধু অস্থিরতা

শাহজাহান আকন্দ শুভ ও হাবিব রহমান
২৪ জুলাই ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ২৪ জুলাই ২০১৯ ১০:৪৪
advertisement

এমনিতেই নানামুখী সংকটে নাকালপ্রায় সাধারণ মানুষ। দ্রব্যমূল্যের ক্রম-ঊর্ধ্বগতি নিম্ন ও মধ্যআয়ের মানুষের যাপিত জীবনকে করে তুলেছে কষ্টসাধ্য। কর্মসংস্থানের অভাব, মাদকের সর্বগ্রাসী বিস্তার, সামাজিক মূল্যবোধের অবক্ষয়ে ক্রমেই বাড়ছে হতাশা। এর মধ্যেই ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে একের পর এক মৃত্যু; উদ্ভট-অযৌক্তিক গুজবে অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়া; ছেলেধরা সন্দেহে নিরীহ-নিরপরাধ মানুষকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা; মধ্যযুগীয় বর্বরতায় প্রকাশ্যে কুপিয়ে মানুষ হত্যা; নারী-শিশু ধর্ষণ উদ্বেগজনক হারে বেড়ে যাওয়া; দেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চল বন্যায় আক্রান্ত হওয়া; ঋণখেলাপিদের দৌরাত্ম্যে কাবু ব্যাংক খাত, শেয়ারবাজারে ধারাবাহিক দরপতন ইত্যাদি বিষয় দেশবাসীর কাছে যারপরনাই মারাত্মক
উপদ্রব হয়ে দেখা দিয়েছে। সব মিলিয়ে সংকট খুবই প্রকট আকার ধারণ করেছে। নিকটঅতীতে দেশে কখনো এমনটি দেখা যায়নি। এসব অন্তহীন সংকট আর সমস্যায় উৎকণ্ঠিত, শঙ্কিত সাধারণ মানুষ যাবে কোথায়? এটি এখন বড় প্রশ্ন হয়ে দেখা দিয়েছে।
সম্প্রতি গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে দেখা যায়, মাসখানেক ধরে একের পর এক অনাকাক্সিক্ষত সংকট এসে দাঁড়াচ্ছে সামনে; পরিবেশজুড়ে ছড়িয়ে দিচ্ছে এক ধরনের অস্বস্তি। ‘ছেলেধরা’ গুজব থেকে গণপিটুনিতে হত্যা ভাইরাসের মতো ছড়িয়ে পড়ছে সারাদেশে। গণপিটুনিতে নিহতদের মধ্যে এমন নারীও রয়েছেন যিনি নিজের সন্তানকে স্কুলে ভর্তি করতে গিয়ে ‘ছেলেধরা’ গুজবে গণপিটুনিতে নিহত হয়েছেন। এমন হৃদয়বিদারক ঘটনা বিবেকবান প্রতিটি মানুষের হৃদয়ে নাড়া দিয়েছে। সচেতন মানুষমাত্রই এহেন কা-ে বিস্মিত। এর পরও থামছে না গুজব, থামছে না গণপিটুনিতে হতাহতের ঘটনা।
সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন বলছে, পদ্মা সেতুতে মানুষের মাথা লাগবে এমন গুজব ছড়িয়ে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গণপিটুনির শিকার হয়ে ইতোমধ্যে বেশ কয়েকজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্তত ৫৫ জন। গত চারদিনে সাতজন গণপিটুনির বলি হয়েছেন। এর মধ্যে নিজের চার বছর বয়সী শিশুসন্তানকে স্কুলে ভর্তি করাতে গিয়ে রাজধানীতে রেনু বেগম নামে এক নারীকে গণপিটুনির নামে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। মূলত এ ঘটনাটির পর তোলপাড় শুরু হয় দেশজুড়ে। গণপিটুনির বিরুদ্ধে সোচ্চার হন সাধারণ মানুষ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার ঝড় শুরু হয়। এমন প্রেক্ষাপটে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে দফায় দফায় আইন নিজের হাতে তুলে না নিতে নির্দেশনা জারি করা হয়। সর্বশেষ এ ধরনের পরিস্থিতি দেখলে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ জানাতে অনুরোধ করে পুলিশ সদর দপ্তরসহ বিভিন্ন জেলা পুলিশ। তারপরও থামছে না গণপিটুনি। গতকালও গণপিটুনিতে নির্যাতনের ঘটনার খবর পাওয়া গেছে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এসব কা-ের নেপথ্যে কুচক্রী মহলের ষড়যন্ত্র রয়েছে বলে মনে করছে। খুন, ধর্ষণসহ সামাজিক নানা অপরাধ আগের যে কোনো সময়ের তুলনায় মাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। প্রায় প্রতিদিনই বলি হচ্ছে নিরীহ-নিরপরাধ প্রাণ।
ডেঙ্গুতে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা অতীতের যে কোনো রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। একে ‘মহামারী’ বলছেন বিশেষজ্ঞরা। রাজধানী ঢাকার পাশাপাশি দেশের অন্যান্য এলাকায়ও ডেঙ্গুর বিস্তার ঘটছে। বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন বলছে, ডেঙ্গুজ¦রে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা নিয়ে সরকারের স্বাস্থ্য বিভাগের সঙ্গে কাজ করছে বিশ^স্বাস্থ্য সংস্থাও। তাদের একটি প্রতিবেদনে এ বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত রোগীর অনুমিত সংখ্যা সাড়ে তিন লাখের মতো। এটি বেড়ে আরও ছড়িয়ে পড়ার শঙ্কা করা হচ্ছে। আর সরকারের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন ও কন্ট্রোল রুমের তথ্যানুযায়ী, গত ২৩ দিনে ৫ হাজার ৬৩৭ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত মানুষ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৪৭৩ জন। অন্যদিকে গত ২৩ দিনে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে সরকারি হিসাবে ৫ জন, বেসরকারি হিসাবে ২৭ জন।
গণমাধ্যমে প্রকাশিত উদ্বেগজনক এ পরিসংখ্যান থেকে বোঝা যাচ্ছে ডেঙ্গু নিয়ে মানুষের মধ্যে কী ধরনের উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা আর শঙ্কা বিরাজ করছে সেটি বোঝার জন্য গবেষণা নিষ্প্রয়োজন, বাস্তব পরিস্থিতির দিকে চোখ রাখাই যথেষ্ট। বিষয়টি ইতোমধ্যে উচ্চ আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে। কারণ সংবাদমাধ্যমের তথ্য বলছে, মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ প্রয়োগ করে ডেঙ্গুর বাহক এডিস মশা মারার অভিযোগ উঠেছে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের বিরুদ্ধে। ডেঙ্গু নিয়ে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার শেষ নেই। বিশেষ করে ঢাকা মহানগর এলাকায় এক প্রকার এডিস মশার আতঙ্কে দিন পার করছেন নগরবাসী। শিশুদের আগলে রাখছেন বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে। সব দেখে যে কেউ বলছে, মূলত কর্তৃপক্ষের অব্যবস্থাপনা-অবহেলা আর সাধারণ মানুষের সচেতনতার অভাবে ডেঙ্গু মহামারী আকার ধারণের দিকে এগোচ্ছে।
সংবাদমাধ্যমের তথ্য বিশ্লেষণ করলে সহজেই বোঝা যায়, মানুষের মধ্যে ধৈর্য, পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও মানবিক মূল্যবোধে কতটা ধস নেমেছে। এ ছাড়া বিচারে দীর্ঘসূত্রতা ক্ষেত্রবিশেষ বিচারহীনতাও এ ক্ষেত্রে অনুঘটকের ভূমিকায় থাকে, সেটাও সংবাদমাধ্যমের বয়ানে বেরিয়ে আসছে। গণপিটুনি নিয়ে আতঙ্কে রয়েছেন অনেকেই। কারণ কখন কার ওপর খড়্গ নেমে আসে সেই আশঙ্কায় অনেকে ছোট বাচ্চা নিয়ে বাইরে বের হতে ভয় পাচ্ছেন। গণপিটুনিবিরোধী ব্যাপক প্রচারে নেমেছে পুলিশ। অবশ্য সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে এতে কতটা ফল আসে, সেটি দেখতে আরও সময়ের প্রয়োজন।
বিভিন্ন প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, এ পর্যন্ত দেশের ২৭টি জেলা বন্যাকবলিত হয়েছে। এর মধ্যে আটটি জেলার পানি নেমে গেলেও বাকি জেলাগুলোর বাসিন্দারা রয়েছেন এক ধরনের পানিবন্দি। তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে খাবার ও বিশুদ্ধ পানির। এরই মধ্যে বাংলাদেশের উজানে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, সিকিম ও ত্রিপুরায় ফের প্রবল বৃষ্টিপাত শুরু হওয়ায় দেশের বিভিন্ন স্থানে নতুন করে বন্যার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের তথ্য, গত ১২ দিনে বন্যায় অন্তত ৮৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। বন্যা আক্রান্ত প্রান্তিক জনগোষ্ঠী এখনো যে পর্যাপ্ত ত্রাণ সহায়তার বাইরে রয়েছে সেটি বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবরে স্পষ্ট। খাবার, প্রাথমিক চিকিৎসা মিলছে না তাদের। অনেক বানভাসি মানুষ সড়কে খোলা আকাশের নিচে নিদারুণ কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন।
ঋণখেলাপিদের দৌরাত্ম্যে কাবু হয়ে পড়েছে দেশের ব্যাংক খাত। টানা কয়েকদিনের দরপতনে খাদের কিনারে শেয়ারবাজার। প্রতিদিনই বাজার থেকে হাজার হাজার কোটি টাকার মূলধন কমে যাচ্ছে। শেয়ারবাজারের দিকে তাকালে দেখা যায়, গত কয়েক দিনের টানা দরপতনে বিনিয়োগকারীদের লোকসানের পাল্লা এতটাই ভারী হয়েছে যে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের জন্য রীতিমতো আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মুনাফার স্বপ্ন তো দূরে থাক, লোকসানেই শেয়ার বিক্রি করছেন তারা। কারণ অনেকের আশঙ্কা, লোকসানের পরিমাণ আরও বাড়তে পারে। যারা ঋণে শেয়ার কিনেছেন, তাদের অবস্থা আরও খারাপ। সবচেয়ে আশ্চর্যের খবর, সাধারণ বিনিয়োগকারীরা শেয়ারবাজার ঠিক করতে খোদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, গত ২৭ জুন ডিএসইর বাজার মূলধন ছিল ৪ লাখ কোটি টাকা। গত ১৭ দিনে শেয়ারবাজারের মূলধন ২১ হাজার কোটি টাকা কমে ৩ লাখ ৭৯ হাজার কোটি টাকা হয়েছে। আর মূল সূচক কমেছে সাড়ে ৩০০ পয়েন্ট।
দৈনিক আমাদের সময়ের এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় শিশু ধর্ষণের হার বেড়েছে ৪১ শতাংশ। ছোট্ট শিশু থেকে ৭০ বছরের বৃদ্ধাও বাদ যাচ্ছে না ধর্ষকের কালো থাবা থেকে। বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের পরিসংখ্যান বলছে, সারাদেশে গত ৫ বছরে (২০১৪-২০১৮ সাল) নির্যাতনের শিকার ৫ হাজার ২৭৪ নারী ও কন্যাশিশু। একই সময়ে ধর্ষিত হয়েছেন ৩ হাজার ৯৮০ জন, গণধর্ষণের শিকার হন ৯৪৫, ধর্ষণের কারণে মৃত্যু হয়েছে ৩৪৯ জনের, আর ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়েছে ৭৩০ নারী-শিশুকে। উদ্বেগজনক তথ্য হলো, গত ৫ বছরে যে সংখ্যক নারী-শিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছেন সেই সংখ্যার প্রায় অর্ধেক অর্থাৎ ২ হাজার ৮৩ জন নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতিত হয়েছে গেল ৬ মাসে (জানু-জুন)। এ সময়ে সারাদেশে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ৭৩১ জন নারী ও শিশু। যাদের মধ্যে হত্যা করা হয়েছে ২৬ জনকে। এ ছাড়া অ্যাসিড সন্ত্রাস, যৌতুক, পাচার, শারীরিক নির্যাতনের ঘটনা তো ঘটছেই। দেশব্যাপী ক্রমবর্ধমান এসব নির্যাতনের ঘটনার বিচার হয়েছে মাত্র ৩ থেকে ৪ শতাংশ।
বেসরকারি মানবাধিকার সংস্থা ‘আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) তথ্যমতে, এ বছরের জানুয়ারি থেকে জুনÑ এ ছয় মাসে শুধু বখাটেদের হাতে ১১০ নারী ও ৭ জন পুরুষ লাঞ্ছনার শিকার হয়েছেন। প্রতিবাদ করায় বখাটেদের হাতে খুন হয়েছেন ৩ নারী ও ২ পুরুষ। একই সময়ে ধর্ষণ ও গণধর্ষণে ২৮ জন নিহত, ধর্ষণের পর ৩৭ জনকে হত্যা, ১১টি অ্যাসিড নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে। এ সময়ে ৬৯২টি শিশু নির্যাতন, ৩৯২ শিশু ধর্ষণ এবং ২০৩ শিশু হত্যা করা হয়েছে।
এ ছয় মাসে বিচারবহির্ভূত হত্যাকা-, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয়ে অপহরণ/আটক ও রহস্যজনক নিখোঁজ, নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা, ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতন, হত্যার মতো অনেক নৃশংস ঘটনার সৃষ্টি হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সমস্যাগুলো সমাধানে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর শৈথিল্য দেখা যাচ্ছে। গণমাধ্যমসহ বিভিন্ন পর্যায়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার মধ্যে সমাধানের দিকে না গিয়ে বরং সমস্যাকে আড়াল করার চেষ্টা হচ্ছে কোনো কোনো ক্ষেত্রে। গণপিটুনিতে এক নারী নিহত হওয়ার বিষয়টি সবচেয়ে উদ্বেগজনক। জনগণ কেন এভাবে অসহিষ্ণু হয়ে পড়ছে তাও পর্যালোচনা করা দরকার বলে মনে করেন তারা।
বিচারে দীর্ঘসূত্রতা ক্ষেত্রবিশেষ বিচারহীনতাও এ ক্ষেত্রেও বড় কারণ হিসেবে বর্ণনা করেছেন বিশেষজ্ঞরা। আর ধর্ষকের মানসিক সমস্যার কথা সব বিশ্লেষক ও মনোবিদেরা এক কথায় স্বীকার করে নেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক ও অপরাধ বিশ্লেষক তৌহিদুল হক আমাদের সময়কে বলেন, আমরা লক্ষ্য করছি, বর্তমানে দেশে এক ধরনের অস্থিরতা চলছে। এটি সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিভিন্ন ক্ষেত্রে ছড়িয়ে পড়ছে। প্রায় ১০ বছর ধরে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সম্পর্কের সংকট রয়েছে। এটি একটি বড় কারণ। এ ছাড়া বিভিন্ন পদে আসীন ক্ষমতাশালী ব্যক্তিদের অনেকেই জনসাধারণের সেবার পরিবর্তে ব্যক্তিস্বার্থ উদ্ধারে ব্যস্ত। একজন মানুষ যখন এসব বিষয় দীর্ঘদিন ধরে দেখে, তখন তার মধ্যে কিন্তু এক ধরনের অসন্তোষ দেখা দিতে পারে। সেটিরই প্রতিফলন ঘটছে অনেক ক্ষেত্রে। এ জন্য এসব বন্ধে আমাদের সামাজিক ক্ষেত্রগুলোতে বিনিয়োগ বাড়ানো হোক। যে কোনো বিষয়ে দ্রুত বিচার করতে না পারলে মানুষ হতাশ হয়ে পড়ে। এ জন্য সবকিছুর আগে প্রয়োজন সুস্থ রাজনৈতিক চর্চা। এ চর্চা বাড়াতে হবে।

 

advertisement