advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

শিল্পের পাঁচ শাখা নিয়ে অ্যাপ্রিসিয়েশন কোর্স

সাংস্কৃতিক প্রতিবেদক
২৪ জুলাই ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ২৪ জুলাই ২০১৯ ০০:২২
advertisement

শিল্পের পাঁচটি শাখাÑ চলচ্চিত্র, চারুকলা, নাটক, সংগীত ও নৃত্য বিষয়ে ‘শিল্পবোধ ও চেতনা’ শীর্ষক অ্যাপ্রিসিয়েশন কোর্সের আয়োজন করেছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি। গতকাল বিকাল ৫টায় একাডেমির জাতীয় চিত্রশালা মিলনায়তনে এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কেএম খালিদ।

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শিল্প সমালোচক মইনুদ্দিন খালেদ, চলচ্চিত্র নির্মাতা জাহিদুর রহিম অঞ্জন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. আফসার আহমেদ ও সহযোগী অধ্যাপক ড. সোমা মুমতাজ এবং সরকারি সংগীত কলেজের শিক্ষক কমল খালিদ।

২৫ জুলাই থেকে শুরু হবে ফিল্ম অ্যাপ্রিসিয়েশন কোর্স। ১২ দিনব্যাপী এ কোর্সটির পরিচালকের দায়িত্ব পালন করবেন শিল্প সমালোচক মইনুদ্দীন খালেদ এবং চলচ্চিত্র নির্মাতা ও শিক্ষক জাহিদুর রহিম অঞ্জন। এর পর পর্যায়ক্রমে শুরু হবে ৮ দিনব্যাপী আর্ট অ্যাপ্রিসিয়েশন কোর্স। এর পরিচালকের দায়িত্ব পালন করবেন শিল্প সমালোচক মইনুদ্দীন খালেদ। ১০ দিনব্যাপী মিউজিক অ্যাপ্রিসিয়েশন কোর্সে পরিচালকের দায়িত্ব পালন করবেন সরকারি সংগীত কলেজের শিক্ষক কমল খালিদ। ১০ দিনব্যাপী ড্যান্স অ্যাপ্রিসিয়েশসন কোর্সে পরিচালকের দায়িত্ব পালন করবেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের চেয়ারম্যান ড. সোমা মুমতাজ। সর্বশেষ কোর্সটি হলো থিয়েটার অ্যাপ্রিসিয়েশন কোর্স। ১৫ দিনব্যাপী এই কোর্স পরিচালনা করবেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. আফসার আহমেদ এবং অধ্যাপক আব্দুস সেলিম।

‘শিক্ষা ও শিল্পের আলো ছড়াব আমরা তারুণ্যের জয়গানে’ শীর্ষক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান : বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি গোপালগঞ্জ জেলার বিভিন্ন মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় ‘শিক্ষা ও শিল্পের আলো ছড়াব আমরা তারুণ্যের জয়গানে’ শীর্ষক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। গতকাল সন্ধ্যা ৭টায় একাডমেরি জাতীয় চিত্রশালা মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানে আলোচনা শেষে গোপালগঞ্জ জেলার ছালেহিয়া কামিল স্নাতকোত্তর মাদ্রাসা, মহিলা ফাজিল মাদ্রাসা, করপাড়া ইউনিয়ন দাখিল মাদ্রাসা, উলপুর মহিলা দাখিল মাদ্রাসা এবং নিলখী দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা পরিবেশন করে সংগীত, হামদ ও নাত, নাটিকা এবং কবিতা আবৃত্তি পরিবেশন করা হয়।

advertisement