advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

অবৈধ বাংলাদেশিদের দেশে ফেরত পাঠাতে হাইকমিশনারের বৈঠক

শাহাদাত হোসেন,মালয়েশিয়া
২৪ জুলাই ২০১৯ ১৭:৩৫ | আপডেট: ২৪ জুলাই ২০১৯ ১৭:৩৫
advertisement

মালয়েশিয়ায় অবৈধ বাংলাদেশিদের দেশে ফেরত পাঠাতে বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের কান্ট্রি ম্যানেজারদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশের হাইকমিশনরা মুহা. শহীদুল ইসলাম।

গতকাল মঙ্গলবার স্থানীয় সময় বিকেল ৩ টায় কুয়ালালামপুরে হাইকমিশনের হল রুমে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে মালয়েশিয়া সরকারের ঘোষিত (বিফোরজি) প্রোগ্রামের আওতায় হয়রানিমুক্ত সহজ পদ্ধতিতে অবৈধ প্রবাসীদের দেশে প্রত্যাবর্তনে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার ক্ষেত্রে হাইকমিশনের কর্মসূচির সঙ্গে একাত্মতা পোষণ করেছেন মালয়েশিয়ায় দায়িত্বরত বিমান বাংলাদেশ, ইউ এস বাংলা ও রিজেন্ট এয়ারওয়েজ এর কর্মকর্তারা।

বৈঠকে চলমান এয়ার লাইন্স টিকেটের মূল্য হ্রাস করে রিফোরজি প্রোগ্রামের আওতায় যারা দেশে প্রত্যাবর্তন করবে তাদের টিকেট যাতে কমমূল্যে সরবরাহ করা হয় তার আহ্বান জানান।

হাইকমিশনারের প্রস্তাবকে এয়ারলাইন্স কর্মকর্তারা তাদের উর্ধ্বতন সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে আশ্বস্ত করেন।

এ সময় হাইকমিশনার বলেন, ‘এই প্রোগ্রামের আওতায় কালোবাজারিদের দ্বারা যাতে সাধারণ কর্মী ক্ষতিগ্রস্থ না হয় সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন, হাইকমিশনের প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা এয়ার কমডোর মো. হুমায়ূন কবির, শ্রম কাউন্সিলর মো. জহিরুল ইসলাম, প্রথম সচিব কনস্যুলার মো. মাসুদ হোসেইন, ২য় সচিব শ্রম ফরিদ আহমদ।

বাংলাদেশি এয়ার লাইন্সদের মধ্যে ছিলেন, বিমান বাংলাদেশ এয়ার লাইন্সের কান্ট্রি ম্যানেজার ইমরুল কায়েছ, ইউ এস বাংলা এয়ার লাইন্সের অপারেশন ম্যানেজার মো: শহিদুল ইসলাম, রিজেন্ট এয়ার ওয়েজের ইনচার্জ (জিএসএ) মো: হৃদয়।

উল্লেখ্য, এ কর্মসূচি পহেলা আগস্ট শুরু হয়ে ৩১ ডিসেম্বর ২০১৯ পর্যন্ত চালু থাকবে। মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশনে পাসপোর্ট বা ট্রাভেল ডকুমেন্ট এবং নিশ্চিত (কনফার্মড) বিমান টিকিটসহ আবেদন করতে হবে এবং জরিমানা ও স্পেশাল পাস বাবদ সাকুল্যে ৭০০ মালয়েশিয়ান রিংগিত জমা দিতে হবে। ইমিগ্রশন কর্তৃপক্ষ আবেদনের এক কার্যদিবসের মধ্যেই স্পেশাল পাশ বা বহির্গমনের অনুমতি প্রদান করবে। এই অনুমতি প্রাপ্তির তারিখ থেকে ৭ দিনের মধ্যেই মালয়েশিয়া ত্যাগ করতে হবে।

এ কর্মসূচির কাজ প্রক্রিয়াকরণের জন্য কোন ৩য় পক্ষ বা ভেন্ডর বা এজেন্ট নিযুক্ত করা হয়নি। কোনো মাধ্যম ছাড়াই আবেদনকারীকে সরাসরি নিকটস্থ  ইমিগ্রেশন অফিসে স্বশরীরে হাজির হতে হবে। যদি কেউ ৩য় পক্ষ বা ভেন্ডর বা মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে ভূয়া তথ্য প্রদান করে আর সেটি প্রমানিত হয় তাহলে আবেদন কারির জেল- জরিমানা হতে পারে। আবেদনকারি সঠিক তথ্য উপস্থাপনের জন্য হাইকমিশনের পরামর্শ নিতে আহবান জানিয়েছেন হাইকমিশনার মহ.শহীদুল ইসলাম।

advertisement